নিজের মতো করে পথ চলা, নিজের পছন্দে গন্তব্য ঠিক করা আর নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া-সোলো ট্রাভেলিং বা একা ভ্রমণের আনন্দই আলাদা। কিন্তু একা থাকাকালীন যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা করার
সফলতা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়, বরং এটি প্রতিদিনের কিছু সুশৃঙ্খল অভ্যাসের সমষ্টি।সফলতা বলতে একেকজনের কাছে একেক রকম হতে পারে, কিন্তু সফল ব্যক্তিদের জীবন পর্যালোচনা করলে কিছু অভিন্ন অভ্যাসের দেখা মেলে।
ঢাকা বাঙালির রান্নাঘর মানেই হরেক রকম মসলার সুবাস। কেবল স্বাদ কিংবা সুগন্ধ বাড়ানোই নয়, আমাদের হাতের কাছে থাকা এই মসলাগুলো একেকটি ‘মহৌষধ’। প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এসব মসলা ব্যবহৃত হয়ে
তীব্র তাপদাহে শরীরের মেটাবলিজম বা হজমপ্রক্রিয়া কিছুটা ধীর হয়ে যেতে পারে। এই সময়ে চিনিযুক্ত কোল্ড ড্রিংকস বা আইসক্রিমের বদলে প্রাকৃতিক পানীয় বেছে নিলে তা শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে দারুণ কাজ
বাংলার মাটি যেমন বৈচিত্র্যময়, এ দেশের মানুষের রসনা তৃপ্তিও ঠিক তেমনই অনন্য। একেক জেলার মাটির সোঁদা গন্ধে মিশে আছে একেক খাবারের স্বাদ। অনেক সময় খাবারের নাম দিয়েই চেনা যায় জেলাকে।
কাঠফাটা রোদ আর কালবৈশাখীর গান গেয়ে যখন নববর্ষের আগমন ঘটে, তখন বাঙালির পাতে পড়ে পান্তা-ইলিশ। শহর থেকে গ্রাম- বর্তমানে এই খাবারটি নববর্ষ উদযাপনের অন্যতম অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন জাগে,
আধুনিক যান্ত্রিক জীবনে আমাদের শারীরিক পরিশ্রম কমে গেছে বহুগুণ। ডেস্কে বসে কাজ, দীর্ঘসময় স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে স্ক্রিন টাইম এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারের আধিক্যের কারণে বাড়ছে নানা শারীরিক ও মানসিক জটিলতা। চিকিৎসকদের
বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমাদের দিনের সিংহভাগ সময় কাটে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। ল্যাপটপ, স্মার্টফোন কিংবা টেলিভিশন-প্রযুক্তির এই ভিড়ে সবচেয়ে বেশি চাপে থাকে আমাদের দুটি চোখ। অথচ শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল এই অঙ্গটির
কথায় আছে, ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝা যায় না’। কিন্তু এক চিলতে সুন্দর হাসি আর সুস্থ শরীরের জন্য মজবুত দাঁতের কোনো বিকল্প নেই। অনেক সময় সঠিক যত্নের অভাবে দাঁতে ক্যাভিটি,
চৈত্র-বৈশাখের এই তীব্র দহনে জনজীবন ওষ্ঠাগত। সূর্যের প্রখর তাপ আর অতিরিক্ত আর্দ্রতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের ত্বক। ঘামাচি, সানবার্ন (রোদে পোড়া ভাব), ব্রণ এবং ত্বকের তৈলাক্ততা এই সময়ের সাধারণ