বাংলার মাটি যেমন বৈচিত্র্যময়, এ দেশের মানুষের রসনা তৃপ্তিও ঠিক তেমনই অনন্য। একেক জেলার মাটির সোঁদা গন্ধে মিশে আছে একেক খাবারের স্বাদ। অনেক সময় খাবারের নাম দিয়েই চেনা যায় জেলাকে।
কাঠফাটা রোদ আর কালবৈশাখীর গান গেয়ে যখন নববর্ষের আগমন ঘটে, তখন বাঙালির পাতে পড়ে পান্তা-ইলিশ। শহর থেকে গ্রাম- বর্তমানে এই খাবারটি নববর্ষ উদযাপনের অন্যতম অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন জাগে,
আধুনিক যান্ত্রিক জীবনে আমাদের শারীরিক পরিশ্রম কমে গেছে বহুগুণ। ডেস্কে বসে কাজ, দীর্ঘসময় স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে স্ক্রিন টাইম এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারের আধিক্যের কারণে বাড়ছে নানা শারীরিক ও মানসিক জটিলতা। চিকিৎসকদের
বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমাদের দিনের সিংহভাগ সময় কাটে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। ল্যাপটপ, স্মার্টফোন কিংবা টেলিভিশন-প্রযুক্তির এই ভিড়ে সবচেয়ে বেশি চাপে থাকে আমাদের দুটি চোখ। অথচ শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল এই অঙ্গটির
কথায় আছে, ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝা যায় না’। কিন্তু এক চিলতে সুন্দর হাসি আর সুস্থ শরীরের জন্য মজবুত দাঁতের কোনো বিকল্প নেই। অনেক সময় সঠিক যত্নের অভাবে দাঁতে ক্যাভিটি,
চৈত্র-বৈশাখের এই তীব্র দহনে জনজীবন ওষ্ঠাগত। সূর্যের প্রখর তাপ আর অতিরিক্ত আর্দ্রতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের ত্বক। ঘামাচি, সানবার্ন (রোদে পোড়া ভাব), ব্রণ এবং ত্বকের তৈলাক্ততা এই সময়ের সাধারণ
বিটরুট বর্তমানে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে অন্যতম প্রিয় সবজি। উজ্জ্বল লাল রঙের এই সবজিটি কেবল রান্নার স্বাদ বাড়ায় না, বরং একে বলা হয় পুষ্টির পাওয়ার হাউস। প্রকৃতির এক অনন্য উপহার বিটরুট।
তীব্র এই গরমে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন শরীরকে সতেজ রাখতে এবং পানিশূন্যতা দূর করতে তরমুজের বিকল্প মেলা ভার। ভ্যাপসা গরমে এক ফালি শীতল ও রসালো তরমুজ কেবল তৃষ্ণাই মেটায় না, বরং
সুস্বাদু খাবার তৈরির প্রধান উপকরণ ভোজ্যতেল। কিন্তু আপনি যে তেলটি ব্যবহার করছেন, তা আপনার হৃদপিণ্ড বা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ? বাজারে সয়াবিন, সরিষা, অলিভ অয়েল কিংবা রাইস ব্র্যান, নানা
সুস্থ থাকার জন্য কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের পাশাপাশি প্রোটিন বা আমিষ শরীরের অন্যতম প্রধান উপাদান। কোষ গঠন থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, সবকিছুতেই প্রোটিনের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু আপনার শরীর