তীব্র দাবদাহে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং ক্লান্তি জেঁকে বসে। সাধারণ পানির একঘেয়েমি কাটাতে এবং শরীরকে ভেতর থেকে সতেজ রাখতে ‘ডিটক্স ওয়াটার’ হতে পারে আপনার প্রিয় পানীয়। এটি কেবল
আষাঢ়-শ্রাবণের ঝুম বৃষ্টি হোক কিংবা অসময়ের কালবৈশাখী, আকাশ মেঘলা হতেই বাঙালির মনে যে ছবিটা প্রথম ভেসে ওঠে, তা হলো ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ির থালা। বৃষ্টির শব্দের সঙ্গে খিচুড়ির এই যে এক
সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত গোসল করা অপরিহার্য। তবে আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে- ঠিক কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো? সকালে নাকি রাতে? চিকিৎসাবিজ্ঞান ও জীবনধারা বিশেষজ্ঞদের মতে, গোসলের
আষাঢ়-শ্রাবণের ঝুম বৃষ্টি হোক কিংবা অসময়ের কালবৈশাখী, আকাশ মেঘলা হতেই বাঙালির মনে যে ছবিটা প্রথম ভেসে ওঠে, তা হলো ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ির থালা। বৃষ্টির শব্দের সঙ্গে খিচুড়ির এই যে এক
মাথার ত্বকের পুষ্টি আর চুলের বৃদ্ধিতে তেলের গুরুত্ব অপরিসীম। আদিকাল থেকেই আমাদের দাদী-নানীরা রাতে চুলে তেল মেখে পরদিন সকালে শ্যাম্পু করার পরামর্শ দিয়ে আসছেন। কিন্তু বর্তমান যুগের দূষণ আর জীবনযাত্রার
বাজার থেকে টাটকা সবজি কিনে আনার পর আমরা সাধারণত সেগুলো ফ্রিজেই তুলে রাখি। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, ফ্রিজে দীর্ঘ সময় সবজি রাখলে এর ভিটামিন ও খনিজ উপাদান ধীরে ধীরে
শৈশবে হাড়ের গঠন আর শারীরিক বৃদ্ধির জন্য দুধ পানের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বা মধ্যবয়সে এসেও কি দুধ খাওয়া সমান জরুরি? পুষ্টিবিজ্ঞানের মতে, দুধ খাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো
বাইরে কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরম। এমন আবহাওয়ায় শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ক্লান্তি দূর করতে আমরা কেউ বেছে নিই ধোঁয়া ওঠা এক কাপ চা, আবার কেউবা চুমুক দিই কফিতে।
আকাশ থেকে যেন আগুন ঝরছে। গ্রীষ্মের এই তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন নিজেকে সতেজ রাখাটাই সবচেয়ে বড় কাজ। আর এই সতেজতার বড় একটি অংশ নির্ভর করে আমাদের পোশাক এবং
সুস্থ থাকার জন্য জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানো বা ব্যয়বহুল সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই; কেবল একজোড়া জুতো আর প্রতিদিন ৩০ মিনিটের দ্রুত হাঁটাই যথেষ্ট। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং হার্টকে কর্মক্ষম