শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে যেসব প্রতিশ্রুতি দিলেন জামায়াত আমির তাইওয়ানে অস্ত্র সরবরাহের সময় সতর্ক থাকুন, ট্রাম্পকে শি জবিতে ভিসির সামনেই সাংবাদিকের ওপর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার হামলা বাংলাদেশসহ ১৯ দেশ নিয়ে সামরিক মহড়া শুরু করল পাকিস্তান ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচন নিয়ে পোস্ট-মন্তব্য করতে পারবেন না পুলিশ সদস্যরা’ হাতুড়ি পেটা করে অটোরিকশা ছিনতাই, দুদিন পেরোলেও অচেতন চালক রনি সাংবাদিকদের নির্বাচনকালীন সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি সম্পাদক পরিষদের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের মোটরসাইকেল শোডাউন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু, এলাকায় শোকের মাতম ‘নাগরিককে সরকারের কাছে আসতে হবে না, সেবাই পৌঁছে যাবে’

শুভ জন্মদিন সিআরসেভেন

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

১৯৮৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এক ছোট্ট ঘরে জন্ম নিল একটি ছেলে—ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার পরিবার আর্থিকভাবে খুব সুবিধাবাদী ছিল না। বাবা জোসে দিন্টো রেস্তোরাঁর কর্মী, মা মেইরিয়ানা ডোস সান্টোশ হাউসকিপার। ছোট রোনালদোর জীবন ছিল চ্যালেঞ্জে ভরা, কিন্তু তার চোখে সব সময় এক স্বপ্নের ঝিলিক ছিল—বল পায়ে বিশ্বজয়।

মাত্র আট বছর বয়সে স্থানীয় ক্লাব আন্দোরিনহোর সঙ্গে খেলার শুরু। ছোট্ট কিশোরটি তখনই বুঝে ফেলেছিল, ফুটবল শুধু খেলা নয়, এটি তার জীবনের বিশেষ অংশ। প্রতিটি গোলের জন্য তার মধ্যে ছিল অদম্য এক উদ্দীপনা।

১২ বছর বয়সে স্পোর্টিং লিসবনের জুনিয়র দলে প্রবেশ করল রোনালদো। সে সময়ে তার লম্বা লেগ, দ্রুত পা, আকাশচুম্বী লাফ—সবই দেখে মানুষ হতবাক। একের পর এক ম্যাচে তার দক্ষতা ফুটে উঠতে লাগল এবং মাত্র ১৮ বছর বয়সে পর্তুগালের জাতীয় দলে ডাক পেল।

২০০৩ সালে জীবনের এক বড় মোড়—ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগদান। স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের অধীনে তিনি শিখলেন কেবল খেলাই নয়, কীভাবে চূড়ান্ত পরিশ্রম, ধারাবাহিকতা এবং মানসিক শক্তি দিয়ে বিশ্বমানের ফুটবলার হতে হয়। তিনটি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা, একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতলেন—সবই তার কঠোর পরিশ্রমের ফল।

২০০৯ সালে রিয়াল মাদ্রিদে স্থানান্তরিত হয়ে রোনালদো ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়ে দিলেন। ৪০০+ গোল এবং অসংখ্য রেকর্ড—চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা, ৫টি ব্যালন ডি’অর জয়—সবই তার অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখল।

রোনালদোর সাফল্য কেবল ক্লাব পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি পর্তুগালের জাতীয় দলের হয়ে ১১০টিরও বেশি গোল করেছেন এবং ইউরোপের শীর্ষ প্রতিযোগিতাগুলোতে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। ২০১৬ সালে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পরপরই তিনি পর্তুগালের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে যান।

আজ ৪১ বছরে পা দিয়েছেন রোনালদো। তার নাম, রেকর্ড, খেলার দক্ষতা শুধু সংখ্যায় নয়—প্রেরণায় ভরা। ছোটবেলার সীমাবদ্ধতা, কঠোর পরিশ্রম, স্বপ্ন পূরণের অদম্য ইচ্ছা—সব মিলিয়ে তিনি কেবল ফুটবল নয়, প্রেরণার এক জীবন্ত প্রতীক।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102