বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মেট্রোরেলের ২৭ বেয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিলারে ফাটল মাটিরাঙায় বিএনপির ওয়ার্ড কমিটির পরিচিতি সভায় তৃণমূলকে শক্তিশালী করার আহ্বান টেকনাফে ১৪ লাখ ইয়াবাসহ দুইজন আটক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাচ্চু তানোর বায়া সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, উদ্যোগ নেই সংস্কারের সিডনির ক্যামডেনের নেতৃত্বে বাংলাদেশি এলিজা সীতাকুণ্ডে আগুনে সর্বস্বান্ত ৪০ ব্যবসায়ী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রীর মায়ের জানাজা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে বিজিবি ক্যাম্পে ঢুকে হুমকি, বিএনপির ৪ নেতাসহ আটক ৬ অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার

সবজিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চড়া বেগুন-টমেটো-শিম

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সরবরাহ বাড়ায় পটল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল, ঝিঙে, জালি ও পেঁপেসহ কয়েক ধরনের সবজির দাম কমেছে। তবে বেগুন, টমেটো ও শিম এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।অন্যদিকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজধানীর কয়েকটি বাজারে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের সংসারে বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর খিলক্ষেত কাঁচাবাজার, যাত্রাবাড়ী, কাপ্তান বাজার, রায়সাহেব বাজার, বাবুবাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে এককেজি পেঁপে। পটোল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল, ঝিঙে, করলা ও জালি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। এ ছাড়া শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে কয়েকটি সবজির দাম এখনো চড়া। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দামের সবজির মধ্যে রয়েছে শিম। বাজারভেদে প্রতি কেজি শিমের দাম ১৬০ থেকে ২০০ টাকা।

 

 

এদিকে সরবরাহ বাড়ায় কাঁচামরিচের দামও কিছুটা কমেছে। মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা।

 

 

অন্যদিকে সরকার সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর পর রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামের কারণে এমনিতেই সংসারের খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তেলের বাড়তি দাম নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করছে।

 

 

মাছের বাজারেও চড়া দামের কারণে বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। বাজারে আকার ও মানভেদে রুই-কাতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে। গুঁড়া মাছের দাম ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা, ছোট পাঙ্গাস ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং বড় পাঙ্গাস ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি। চাষের কই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি দরে।

 

 

এ ছাড়া পাবদা মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪৩০ টাকা।

 

 

চাহিদাসম্পন্ন ছোট ইলিশ, চিংড়ি, বাইম, দেশি কই ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে ক্রেতাদের আরও বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। এসব মাছের কোনো কোনোটি কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ির দাম পড়ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি।

 

 

এদিকে বাজারে এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি। কক মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০ থেকে ৬২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও কমেনি; বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে।

সাব্বির রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে সবজি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। তবে বেগুন ও টমেটোর দামও কমলে সাধারণ ক্রেতারা আরও স্বস্তি পেতো।

একজন সবজি বিক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি আনতে আগের তুলনায় পরিবহন খরচ বেশি হচ্ছে। সেই জন্য কিছু সবজি একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102