এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বন্যায় হাজারো পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্যাভাব এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে। শিশু, নারী ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, মানবিক বিপর্যয়ের এই সময়ে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। যার যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তা দিয়ে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। একটি পরিবারের জন্য শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, কাপড়, ওষুধ কিংবা সামান্য আর্থিক সহায়তাও তাদের জীবনে স্বস্তি এনে দিতে পারে।
আলোকিত স্বপ্নের বিডির সম্পাদক বলেন, “মানবতা আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে সবাইকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে। দুর্যোগের এই সময়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতাই হতে পারে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম শক্তি।”
তিনি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি বন্যাদুর্গতদের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
পরিশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত লাঘব হবে এবং তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হবেন।