গ্রুপ পর্ব এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি, কিন্তু এরই মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বপ্ন ভেঙে গেছে সাত দলের। শেষ ম্যাচ হাতে থাকলেও শেষ বত্রিশে ওঠার সব পথ বন্ধ হয়ে গেছে হাইতি, তুরস্ক, তিউনিসিয়া, জর্ডান, পানামা, কাতার এবং চেক প্রজাতন্ত্রের জন্য। এমনকি সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল হিসেবেও তাদের পরের রাউন্ডে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আর নেই।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপে এবার নতুন ফরম্যাটে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দলের পাশাপাশি সেরা আটটি তৃতীয় স্থানধারী দলও শেষ বত্রিশে খেলার সুযোগ পাচ্ছে। তারপরও গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার আগেই সাতটি দল বিদায় নিশ্চিত করে ফেলেছে।
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো হলো— হাইতি, তুরস্ক, তিউনিসিয়া, জর্ডান, পানামা, কাতার এবং চেক প্রজাতন্ত্র।
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, হাইতি, তুরস্ক, তিউনিসিয়া, জর্ডান এবং পানামা মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেই কার্যত টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে। ফিফার নতুন টাইব্রেকার নীতির কারণে তাদের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গেছে আগেভাগেই।
আগের বিশ্বকাপগুলোর তুলনায় ২০২৬ আসরের জন্য ফিফা ‘অলিম্পিক টাইব্রেকার’ পদ্ধতি চালু করেছে। এই নিয়ম অনুযায়ী দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে সবার আগে বিবেচনা করা হবে তাদের নিজেদের মধ্যকার ম্যাচের ফলাফল বা হেড-টু-হেড রেকর্ড।
এই নিয়মের কারণেই বিপদে পড়ে হাইতি, তুরস্ক, তিউনিসিয়া, জর্ডান এবং পানামা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জয় পেলে তারা নিজেদের গ্রুপের অন্য তিন পয়েন্টধারী দলগুলোর সমান পয়েন্টে পৌঁছাতে পারত। কিন্তু যেহেতু তারা ইতোমধ্যে ওই দলগুলোর বিপক্ষে মুখোমুখি লড়াইয়ে হেরে গেছে, তাই হেড-টু-হেড বিবেচনায় তাদের আর চতুর্থ স্থান থেকে ওপরে ওঠার সুযোগ নেই।
ফলে শেষ ম্যাচের ফল যাই হোক না কেন, তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা গ্রুপ পর্বেই শেষ হচ্ছে।
অন্যদিকে গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডের খেলা শুরু হওয়ার পর বিদায়ের তালিকায় যুক্ত হয়েছে কাতার ও চেক প্রজাতন্ত্রও। প্রয়োজনীয় সমীকরণ মেলাতে ব্যর্থ হওয়ায় এই দুই দলও শেষ বত্রিশে ওঠার সম্ভাবনা হারিয়েছে।