শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের রোডম্যাপ চায় তরুণরা এমএলএ বাগিয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা বিরোধীদের, টিভিকের সব বিধায়ককে রিসোর্টে রেখেছেন থালাপতি সবজির গায়ে হাত দিতে পারছেন না নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা হরমুজ ঘিরে ইরান-আমেরিকার গোলাগুলির পরই বেড়েছে তেলের দাম তাৎক্ষণিকভাবে নিজেকে কীভাবে চাপমুক্ত করবেন? ফের ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং নিয়ে ফিরছেন শাকিরা ইউনিক গ্রুপ ও বোরাক রিয়েল এস্টেটের বিরুদ্ধে সিআইডির মানিলন্ডারিং মামলা ছদ্মবেশে মাঝরাতে রাস্তায় নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ কুপ্রস্তাব পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সর্বশেষ যা জানা গেল জুমার খুতবার সময় নামাজ পড়া যাবে কি?

জুমার খুতবার সময় নামাজ পড়া যাবে কি?

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

জুমার খুতবার সময় সুন্নত বা নফল নামাজ আদায় করা যাবে না। ইসলামিক শরিয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী, ইমাম খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে ওঠার পর মুসল্লিদের সব ধরনের নফল আমল বন্ধ রেখে মনোযোগসহ খুতবা শুনতে হবে। আলেমরা বলছেন, খুতবার সময় নামাজে দাঁড়ানো বা কথাবার্তায় জড়িয়ে পড়া জুমার আদবের পরিপন্থী।

হাদিসে এসেছে, জুমার দিন মুসলমান যদি গোসল করে মসজিদে যায়, কাউকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকে, ইমাম বের হওয়ার আগে ইচ্ছামতো নামাজ আদায় করে এবং ইমাম খুতবা শুরু করলে চুপ থেকে তা শোনে ও জামাতে অংশ নেয়, তাহলে এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত তার গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়। (মুসনাদে আহমদ)

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, জুমার খুতবা জুমার নামাজেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইমামের দুটি খুতবা শোনা ওয়াজিব। এ কারণে নামাজের মধ্যে যেসব কাজ নিষিদ্ধ, খুতবার সময়ও সেসব কাজ নিষিদ্ধ হিসেবে গণ্য হয়।

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুতবার সময় নীরব থাকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে তিনি বলেন, জুমার দিন খুতবার সময় যদি তুমি তোমার সঙ্গীকে বলো ‘চুপ কর’, তাহলেও তুমি অনর্থক কথা বললে। (সহিহ বুখারি)

ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, জুমার নামাজ ফরজ প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ-স্বাভাবিক, মুকিম ও স্বাধীন মুসলিম পুরুষদের ওপর। নারী, শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, মুসাফির ও মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির ওপর জুমা ফরজ নয়। তবে তারা চাইলে জুমার নামাজে অংশ নিতে পারবেন।

হাদিসে এসেছে, জুমার নামাজ প্রত্যেক মুসলিমের ওপর জামাতে আদায় করা আবশ্যক। তবে ক্রীতদাস, নারী, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তির ওপর তা আবশ্যক নয়। (সুনান আবু দাউদ)

এ ছাড়া অসুস্থতা, বার্ধক্য বা অন্ধত্বের কারণে যারা মসজিদে যেতে অক্ষম, তাদের ওপর জুমা ফরজ নয়। তবে অন্ধ ব্যক্তি কাউকে সহায়তাকারী হিসেবে পেলে তার জন্য জুমায় অংশ নেওয়া আবশ্যক হবে বলে উল্লেখ করেছেন ফকিহরা।

আলেমরা আরও বলেন, বিনা ওজরে ধারাবাহিকভাবে জুমার নামাজ ত্যাগ করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। রাসুলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করে বলেছেন, যে ব্যক্তি অলসতা করে পরপর তিন জুমা ত্যাগ করে, আল্লাহ তার অন্তরে মোহর মেরে দেন। (সুনানে নাসাঈ)

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102