নবীজির (সা.) আমল:
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের (রা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন, তখন কথা বলা বন্ধ করে দিতেন এবং এই আয়াত পাঠ করতেন:
‘সুবহানাল্লাজি ইউসাব্বিহুর রা’দু বিহামদিহি ওয়াল মালাইকাতু মিন খিফাতিহি’
(অর্থ: পবিত্র সেই সত্তা, যাঁর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করে মেঘের গর্জন এবং ফেরেশতারাও তাঁর ভয়ে পবিত্রতা ঘোষণা করে।)
এছাড়াও বজ্রপাতের সময় মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করা সুন্নত।
সচেতনতা ও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি
ইসলাম মানুষকে যেকোনো বিপদে সচেতন থাকার নির্দেশ দেয়। বজ্রপাত চলাকালীন খোলা আকাশের নিচে না থাকা, উঁচু গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে থাকা—এসব জাগতিক সতর্কতা অবলম্বন করা ইসলামের ‘তাওয়াক্কুল’ বা আল্লাহর ওপর ভরসারই অংশ। কারণ, নিজের জীবন রক্ষা করা ইসলামের অন্যতম মৌলিক উদ্দেশ্য।
বজ্রাঘাতে মৃত্যু আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এটি যেমন আল্লাহর মহিমা প্রকাশ করে, তেমনি মানুষের নশ্বরতাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা এবং এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচতে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার পাশাপাশি আধুনিক বিজ্ঞানের নির্দেশিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।