ইসলামী অর্থব্যবস্থায় জাকাত কেবল একটি ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী সামাজিক ও অর্থনৈতিক হাতিয়ার। জাকাত আদায়ের বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে।জাকাত ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম। এটি ধনীর সম্পদ থেকে নির্দিষ্ট অংশ
চলছে পবিত্র রমজানের রহমতের দশক। সিয়াম সাধনার এই মাসে মুমিন মুসলমানরা যখন স্রষ্টার সন্তুষ্টির নেশায় বিভোর, তখন আধ্যাত্মিক উন্নতির শিখরে পৌঁছানোর অন্যতম মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘তাহাজ্জুদ’ নামাজ। সাধারণ সময়ে যা
পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিশেষ সময়। এই মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও পাপাচার থেকে বিরত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা পালন করেন।
রমজান মাসের বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত (শুক্রবার রাত) অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ রাত। এ রাতে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক। এমনিতেই রমজানের প্রতিটি রাতই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু শুক্রবারের রাতে ইবাদাতের বিশেষ মর্যাদা
সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটিতে রমজান মাস শুরু হচ্ছে। আল হারিক অবজারভেটরির আব্দুল আজিজ আল-মুইনা জানিয়েছেন, ‘সূর্য বিকেল
ইসলামে বিবাহ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র ইবাদত। এটি শুধু সামাজিক বন্ধন নয় বরং শরিয়তের দৃষ্টিতে একটি শক্তিশালী চুক্তি। অনেক সময় মানুষ হাসি-ঠাট্টা কিংবা মজা করে এমন কিছু কথা বলে
‘আহলান সাহলান মাহে রমজান’। ধরণীর বুকে আবার ফিরে এলো মহান আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে পবিত্র মাস রমজান। বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের জন্য এটি কেবল পানাহার থেকে বিরত
হালাল রিজিক ভক্ষণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যিক। মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের পবিত্র ও হালাল উপার্জন গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ, হালাল রিজিক ছাড়া কোনো ইবাদত পূর্ণতা পায় না এবং
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে প্রতি বছরই মুমিনের দুয়ারে হাজির হয় পবিত্র রমজান মাস। আত্মশুদ্ধি, সংযম ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ সময় এই মাহে রমজান। মহিমান্বিত মাসটিতে ভোরের সাহরি
ইসলামি সংস্কৃতিতে যেসব দিবস ও রজনী বিখ্যাত, এর মধ্যে শবেবরাত অন্যতম। প্রতি বছর হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ রাতটি ‘শবেবরাত’ হিসেবে পালন হয়। হাদিস শরিফে একে ‘নিসফ শাবান’ বা