ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে হজ অন্যতম। প্রতিবছর জিলহজ মাসে সামর্থ্যবান মুসলমানরা আল্লাহর ঘরে উপস্থিত হয়ে এই ইবাদত সম্পন্ন করেন। তবে জনমনে প্রায়ই প্রশ্ন- হজ কি সবার জন্যই ফরজ? বিশেষ করে
মুসলিম নারীদের জন্য হজ পালন একটি ইবাদত হলেও সফর ও নিরাপত্তার স্বার্থে ইসলামি শরিয়তে ‘মাহরাম’ সঙ্গী থাকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে হজের মতো দীর্ঘ ও শ্রমসাধ্য সফরে
ইসলামে জুমা বা শুক্রবার সপ্তাহের সর্বোত্তম দিন হিসেবে বিবেচিত। এ দিনটি শুধু জামায়াতে নামাজ আদায়ের জন্যই নয়, বরং রহমত, মাগফিরাত ও দোয়া কবুলের বিশেষ সুযোগের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ব্যস্ত জীবনের কারণে
যান্ত্রিক এই ব্যস্ত জীবনে মানুষের মানসিক প্রশান্তি যখন ক্রমেই বিলীন হচ্ছে, তখন শান্তির এক অমিয় সুধা হতে পারে নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত। ইসলামি স্কলার এবং মনোবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিদিন নিয়ম করে পবিত্র
রিজিকে বরকত বা প্রাচুর্য কেবল উপার্জনের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি একটি আত্মিক প্রশান্তি ও প্রাপ্ত সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যম। ব্যস্ততম এই নাগরিক জীবনে মানুষ দিনরাত উপার্জনের পেছনে ছুটছে।
দৈনন্দিন জীবনে লেনদেন বা ব্যবসার প্রয়োজনে আমরা একে অপরকে ধার দিয়ে থাকি। কিন্তু অনেক সময় পাওনা টাকা সময়মতো ফেরত না পাওয়া বা ঋণগ্রহীতার টালবাহানার কারণে পাওনাদারকে চরম দুশ্চিন্তা ও সংকটে
ঋণগ্রস্ত থাকা একজন মুমিনের জন্য মানসিকভাবে বেশ যন্ত্রণাদায়ক। ইসলামে ঋণ পরিশোধের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি অভাব ও ঋণ থেকে মুক্তির জন্য বেশ কিছু দোয়া ও আমল শেখানো হয়েছে।
ইবাদতে ধারাবাহিকতা বা ‘ইস্তেকামাত’ বজায় রাখা আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য অত্যন্ত জরুরি। ইবাদতে অবিচল থাকার ১০টি কার্যকর কৌশল ইবাদতে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং মনে হতে পারে। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিকতা
ইসলামি শরিয়তে ইবাদতের মূল ভিত্তি হলো ইখলাস বা আল্লাহর সন্তুষ্টি। প্রকাশ্য ইবাদতের চেয়ে গোপন ইবাদত কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, কারণ এতে লোকদেখানো বা ‘রিয়া’র সুযোগ থাকে না। ১. ইখলাস
সদ্য বিদায়ী রমজান মাস ছিল তাকওয়া অর্জনের মাস। আল্লাহ তায়ালা এই মাসের রোজাকে ফরজ করেছেন যেন মানুষ তাকওয়া অর্জন করতে পারে। কুরআনে বলা হয়েছে: ‘যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’