ইসলামি শরিয়তে ইবাদতের মূল ভিত্তি হলো ইখলাস বা আল্লাহর সন্তুষ্টি। প্রকাশ্য ইবাদতের চেয়ে গোপন ইবাদত কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, কারণ এতে লোকদেখানো বা ‘রিয়া’র সুযোগ থাকে না। ১. ইখলাস
সদ্য বিদায়ী রমজান মাস ছিল তাকওয়া অর্জনের মাস। আল্লাহ তায়ালা এই মাসের রোজাকে ফরজ করেছেন যেন মানুষ তাকওয়া অর্জন করতে পারে। কুরআনে বলা হয়েছে: ‘যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’
বছর ঘুরে আবারও ঘনিয়ে এলো পবিত্র হজের মাহেন্দ্রক্ষণ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মহান আল্লাহর মেহমানদের বরণ করে নিতে এখন পুরোপুরি প্রস্তুত পবিত্র মক্কা ও মদিনা। ইতোমধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ
পবিত্র রমজানের দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুমিন মুসলমানরা উদযাপন করেছেন ঈদুল ফিতর। ঈদের খুশির আমেজ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে শাওয়াল মাস। ইসলামের বিধান অনুযায়ী, এই মাসে ছয়টি
শাওয়াল হিজরি ক্যালেন্ডারের দশম মাস। ইসলামে এই মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এটি হজের তিন মাসের অন্যতম। কোরআনে বর্ণিত হারাম চার মাসেরও অন্যতম। রমজান পরবর্তী এ মাসটিতে ৬টি রোজা রাখার বিশেষ
ইসলামি শরিয়তে জীবিকা অন্বেষণের অন্যতম পবিত্র মাধ্যম হলো ব্যবসা। পবিত্র কোরআন ও হাদিসের নির্দেশনা মেনে পরিচালিত ব্যবসায় মহান আল্লাহ তাআলা বরকত দান করেন। সৎ ও আমানতদার ব্যবসায়ীকে আল্লাহ তাআলা দুনিয়া
বিয়ে মানুষকে শালীন, পবিত্র ও পরিপূর্ণ জীবনযাপনের পথে নিয়ে যায়। ইসলামে বিয়েকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বরকতময় একটি ইবাদত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যে ব্যক্তি প্রাপ্তবয়স্ক ও বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে,
দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দেশবাসী। ঈদকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশে নতুন টাকা কেনাবেচার প্রচলন রয়েছে। মানুষ ঈদে ছোটদের
ঈদুল ফিতর ও ফিতরা (সাদাকাতুল ফিতর) একে অপরেরর সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত, যেখানে ফিতরা হলো পবিত্র রমজান মাসের সিয়াম সাধনার ত্রুটি-বিচ্যুতি সংশোধন এবং আনন্দে দরিদ্রদের শরিক করার লক্ষ্যে ঈদুল ফিতরের নামাজের
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটি উৎসব হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা—আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও ইবাদতের এক বিশেষ মুহূর্ত। আল্লাহর জিকির ও তাঁর বড়ত্বের ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় ঈদ। এ দিনের সবচেয়ে