প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মুসলিম পবিত্র হজ্জ পালনের জন্য মক্কায় সমবেত হন। ৪৬° সেলসিয়াসের বেশি তীব্র গরমে এই বিশাল জনসমুদ্রের জন্য পানীয় জল এবং ওজু-গোসলের পানির
মরুভূমির তপ্ত বালুকারাশির নিচে হাজার হাজার বছর ধরে প্রবহমান এক অলৌকিক ঝরনাধারা-পবিত্র জমজম। ইসলামের ইতিহাসের সাথে মিশে থাকা এই কূপ কেবল মুসলমানদের কাছে পবিত্রই নয়, বরং আধুনিক বিজ্ঞানের কাছেও এক
মহান আল্লাহর অসীম রহমত ও দয়া ছাড়া পৃথিবীতে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব কল্পনা করা অসম্ভব। তার দয়া যেমন সাধারণ হিসেবে সমস্ত সৃষ্টির ওপর বর্ষিত হয়, তেমনি কিছু বিশেষ আমলের মাধ্যমে মুমিন
প্রতিটি মুমিনের আজীবন লালিত স্বপ্ন থাকে গভীর আকুলতায় মক্কা শরিফ-এর কালো গিলাফ ছুঁয়ে দেখার। মদিনা মুনাওয়ারার সবুজ গম্বুজের ছায়ায় নিজেকে হারিয়ে ফেলার। সেলাইবিহীন দুই টুকরো সাদা কাপড় পরে কাবা শরিফ-র
জুমার দিন সপ্তাহের সেরা দিন। এ দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিনও বলা হয়। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত। (সুনানে ইবনে মাজাহ,
পবিত্র কোরআনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ সূরা ‘ইখলাস’। পবিত্র কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান সূরা ইখলাস। মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও পঠিত একটি সূরা হলো ‘সূরা ইখলাস’। পবিত্র কোরআনের ১১২ নম্বর সূরা
মানুষের জীবনে বিপদ-আপদ আসা স্বাভাবিক। প্রতিকূল এই সময়ে মুমিনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো দোয়া। আর বিপদে আল্লাহর সাহায্য লাভের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী দোয়াগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘দোয়া ইউনুস’। মাছের পেটে
পবিত্র হজের সফরে মৃত্যু যেকোনো মুমিনের জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের এবং মর্যাদাপূর্ণ বিষয় বলে গণ্য করা হয়। হজ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ। প্রতি বছর লাখ লাখ মুসলিম আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পবিত্র মক্কায়
১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ—বাংলা সনের প্রথম দিন। পহেলা বৈশাখ বাঙালি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি বাঙালির দীর্ঘদিনের একটি ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক দিবস। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মোগল আমলে
ইসলাম কেবল ইবাদত-বন্দেগির নাম নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। একটি সুখী পরিবার গঠন এবং আগামীর যোগ্য নাগরিক হিসেবে সন্তানকে গড়ে তোলার জন্য ইসলাম সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। বর্তমান সময়ের সামাজিক