যান্ত্রিক এই ব্যস্ত জীবনে মানুষের মানসিক প্রশান্তি যখন ক্রমেই বিলীন হচ্ছে, তখন শান্তির এক অমিয় সুধা হতে পারে নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত। ইসলামি স্কলার এবং মনোবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিদিন নিয়ম করে পবিত্র
রিজিকে বরকত বা প্রাচুর্য কেবল উপার্জনের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি একটি আত্মিক প্রশান্তি ও প্রাপ্ত সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যম। ব্যস্ততম এই নাগরিক জীবনে মানুষ দিনরাত উপার্জনের পেছনে ছুটছে।
দৈনন্দিন জীবনে লেনদেন বা ব্যবসার প্রয়োজনে আমরা একে অপরকে ধার দিয়ে থাকি। কিন্তু অনেক সময় পাওনা টাকা সময়মতো ফেরত না পাওয়া বা ঋণগ্রহীতার টালবাহানার কারণে পাওনাদারকে চরম দুশ্চিন্তা ও সংকটে
ঋণগ্রস্ত থাকা একজন মুমিনের জন্য মানসিকভাবে বেশ যন্ত্রণাদায়ক। ইসলামে ঋণ পরিশোধের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি অভাব ও ঋণ থেকে মুক্তির জন্য বেশ কিছু দোয়া ও আমল শেখানো হয়েছে।
ইবাদতে ধারাবাহিকতা বা ‘ইস্তেকামাত’ বজায় রাখা আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য অত্যন্ত জরুরি। ইবাদতে অবিচল থাকার ১০টি কার্যকর কৌশল ইবাদতে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং মনে হতে পারে। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিকতা
ইসলামি শরিয়তে ইবাদতের মূল ভিত্তি হলো ইখলাস বা আল্লাহর সন্তুষ্টি। প্রকাশ্য ইবাদতের চেয়ে গোপন ইবাদত কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, কারণ এতে লোকদেখানো বা ‘রিয়া’র সুযোগ থাকে না। ১. ইখলাস
সদ্য বিদায়ী রমজান মাস ছিল তাকওয়া অর্জনের মাস। আল্লাহ তায়ালা এই মাসের রোজাকে ফরজ করেছেন যেন মানুষ তাকওয়া অর্জন করতে পারে। কুরআনে বলা হয়েছে: ‘যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’
বছর ঘুরে আবারও ঘনিয়ে এলো পবিত্র হজের মাহেন্দ্রক্ষণ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মহান আল্লাহর মেহমানদের বরণ করে নিতে এখন পুরোপুরি প্রস্তুত পবিত্র মক্কা ও মদিনা। ইতোমধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ
পবিত্র রমজানের দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুমিন মুসলমানরা উদযাপন করেছেন ঈদুল ফিতর। ঈদের খুশির আমেজ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে শাওয়াল মাস। ইসলামের বিধান অনুযায়ী, এই মাসে ছয়টি
শাওয়াল হিজরি ক্যালেন্ডারের দশম মাস। ইসলামে এই মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এটি হজের তিন মাসের অন্যতম। কোরআনে বর্ণিত হারাম চার মাসেরও অন্যতম। রমজান পরবর্তী এ মাসটিতে ৬টি রোজা রাখার বিশেষ