আল উদেইদ মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ইরানি হামলার নিন্দা জানিয়েছে কাতার। এ হামলাকে ‘আগ্রাসন’ উল্লেখ আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। সোমবার (২৩ জুন) রাতে ইরানের মিসাইল নিক্ষেপের পর
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগের মধ্যে পূর্ব সতর্কতা হিসেবে আজ সোমবার (২৩ জুন) থেকে দেশজুড়ে বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর এএফপির। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও তার আশেপাশে রাশিয়ার রাতভর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাতজন নিহত এবং বহ মানুষ আহত হয়েছেন। হামলার ফলে আবাসিক এলাকায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া মেট্রো স্টেশনের
কাতার ও ইরাকের মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরান। সোমবার (২৩) এই হামলা চালানো হয়। আল জাজিরা, সিএনএনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই খবর জানিয়েছে। বিস্তারিত
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় চালানো ‘ব্যাপক’ হামলার পর একদিকে যখন যুদ্ধের আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে ইসরায়েল এখন সংকেত দিচ্ছে সংঘাত থেকে সরে আসার। তবে এ শান্তির প্রস্তাব একতরফা নয় বরং
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইঙ্গিত করে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সরকার চায়, যুদ্ধের জন্য যেন সরাসরি অর্থ ব্যয় করা হয়। ইসরায়েলের পেছনে দাঁড়িয়ে শুধু সমর্থন দিয়ে, নিজেরা কোনো
উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির এল-হাসাকা প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলে কাসরুক এলাকায় অবস্থিত আমেরিকান সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্ত করা হয়েছিল। সোমবার (২৩ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয়
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল অর্থাৎ অপরিশোধিত তেলের দাম তিন শতাংশ বেড়েছে। মার্কিন হামলার পর থেকেই তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় তেলের দাম বাড়বে বলে
ইসরায়েলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার (২৩ জুন) ইসরায়েল ইলেকট্রিক কোম্পানি নিশ্চিত করেছে, দক্ষিণাঞ্চলে একটি কৌশলগত বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি আঘাত হেনেছে, যার ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলের টানা বিমান ও স্থল হামলায় মৃতের সংখ্যা ৫৬ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৫১ জন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন ক্ষুধার্ত ত্রাণপ্রার্থী।