ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ফলে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে একজন নারী প্রার্থী পাচ্ছে দলটি। এনসিপির নেত্রীদের মধ্যে কে যাচ্ছেন সংসদে- তা নিয়ে দলটির ভেতরে ও বাইরে জোর আলোচনা চলছে। জানা গেছে, এনসিপির বেশ কয়েকজন নেত্রী এ বিষয়ে আলোচনায় রয়েছেন।
এনসিপির সূত্র অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ হিসেবে আলোচনায় আছেন- নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, ঢাকা-১৯ আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দিলাশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নাবিলা তাসনিদ এবং দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দলের পক্ষ থেকে সংসদে ডা. মাহমুদা মিতুকে পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা। দলের শীর্ষ নেতৃত্বও সংসদে তার উপস্থিতিকে প্রয়োজনীয় মনে করছে।
বিশেষ করে ঝালকাঠি-১ আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা ছিল ডা. মাহমুদা মিতুর। পরে দলীয় সিদ্ধান্তে জোটের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ান তিনি।
সেসময় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাকে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য করার আশ্বাস দিয়েছিল বলেও জানা গেছে। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণাকালে সারাদেশে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন জনসভা ও পথসভায় অংশ নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি।
এ বিষয়ে মাহমুদা মিতুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। দলের সিদ্ধান্তই তার কাছে চূড়ান্ত বলে জানান তিনি।
জানতে চাইলে দলের মিডিয়া কমিটির প্রধান মাহবুব আলম বলেন, এ বিষয়ে এখনো দল কোনো সিদ্ধান্তে আসেনি। সিদ্ধান্ত হলে সবাইকে জানানো হবে।
ডা. মাহমুদা মিতু বর্তমানে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।