ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বাণিজ্যমন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।
বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র গণমাধ্যম কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি। বাণিজ্য খাতকে পরিপূর্ণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এবার এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বেসরকারিভাবে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রামের সন্তান আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। তারপর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে হিসাববিজ্ঞানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেন তিনি। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেন এবং চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি ও দক্ষিণ এশিয়া এক্সচেঞ্জ ফেডারেশনের প্রথম সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এ ছাড়া খসরু চট্টগ্রামে দক্ষিণ কোরিয়ার অনারারি কনসাল, সোনালী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বাংলাদেশ শিল্প বিভাগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯১ সালের নির্বাচনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে উপনির্বাচনে বিজয়ী হন। একই আসন থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন।
২০০১ সালের নির্বাচনে তার নিজ দল বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হন এবং ২৫ মার্চ ২০০৪ পর্যন্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ‘স্থায়ী কমিটি’র সদস্য ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।