বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে যেসব প্রতিশ্রুতি দিলেন জামায়াত আমির তাইওয়ানে অস্ত্র সরবরাহের সময় সতর্ক থাকুন, ট্রাম্পকে শি জবিতে ভিসির সামনেই সাংবাদিকের ওপর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার হামলা বাংলাদেশসহ ১৯ দেশ নিয়ে সামরিক মহড়া শুরু করল পাকিস্তান ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচন নিয়ে পোস্ট-মন্তব্য করতে পারবেন না পুলিশ সদস্যরা’ হাতুড়ি পেটা করে অটোরিকশা ছিনতাই, দুদিন পেরোলেও অচেতন চালক রনি সাংবাদিকদের নির্বাচনকালীন সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি সম্পাদক পরিষদের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের মোটরসাইকেল শোডাউন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু, এলাকায় শোকের মাতম ‘নাগরিককে সরকারের কাছে আসতে হবে না, সেবাই পৌঁছে যাবে’

এপস্টেইন ফাইল নিয়ে যা বললেন জয়া আহসান

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

অভিনেত্রী জয়া আহসান বরাবরই ভিন্নধর্মী এবং দায়িত্বশীল চরিত্রের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। সম্প্রতি আসন্ন চলচ্চিত্র ‘ওসিডি’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জয়া সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি অন্য দিকও তুলে ধরেছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শিশুদের সঙ্গে জড়িত যেকোনো বিষয় নিয়ে কাজ করার দায়িত্ব সাধারণ কাজের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

জয়া জানান, অভিনয়ে নিখুঁত হওয়ার এক অদ্ভুত নেশা তার মধ্যে কাজ করে।

তিনি বলেন, নিখুঁত অভিনয় নিয়ে আমার ‘ওসিডি’ রয়েছে। মাঝে মাঝে মনে হয় সব অভিনয় একরকম হয়ে যাচ্ছে। নিজেকে চ্যালেঞ্জ করতে গিয়েই মাঝে মাঝে বিরক্তি এবং মানসিক চাপের চূড়ান্তে পৌঁছে যাই। নিজেকে বলি, আমি তো মানুষ, কিন্তু মন মানে না।

চলচ্চিত্রে জয়া এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি শৈশবে যৌন শোষণের শিকার। এই সংবেদনশীল বিষয় ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে তাকে পিডোফিলিয়া সম্পর্কিত বিস্তর পড়াশোনা করতে হয়েছে।

জয়ার কথায়, যেখানে শিশুরা জড়িয়ে থাকে, সেখানে দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ কোনো সাধারণ বিষয় নয়; এটি একটি গুরুতর মানসিক ব্যাধি। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, বাংলা সিনেমায় এ বিষয়ে তেমন কোনো কাজ হয়নি।

বিশ্বজুড়ে আলোচিত ‘এপস্টেইন ফাইল’ প্রসঙ্গে জয়া আরও বলেন, এটা তো একটা মানসিকব্যাধি। সাধারণ মানুষের মধ্যে শিশুর প্রতি মায়া ও স্নেহ জন্মায়, কিন্তু কিছু মানুষের মনে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তারা শিশুর শরীরের ভেতরটা দেখতে চায়। এটি একেবারেই অসুস্থতা।

নিজের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কেও জয়া খোলামেলা বক্তব্য দিয়েছেন। সন্তান দত্তক নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি চাইলে সন্তান দত্তক নিতে পারি, জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু বড় বাধা হলো পরিবেশ। একটি শিশুকে পৃথিবীতে আনার আগে তার জন্য নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করতে হবে। অথচ মানুষ এখন শুধুই নিজেদের জীবন নিয়ে ব্যস্ত।

জয়ার এই বক্তব্য সামাজিক দায়বদ্ধতা, শিশু নিরাপত্তা এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আলোচনার নতুন দিক যোগ করেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102