২২ গজের মাঠ কাঁপিয়ে এবার কি রাজনীতির আঙিনায় ঝড় তুলতে যাচ্ছেন শহিদ আফ্রিদি? পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়কের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যে এমন আভাসই মিলছে।
বিশেষ করে, দীর্ঘদিনের আবাসস্থল করাচি ছেড়ে স্থায়ীভাবে রাজধানী ইসলামাবাদে পাড়ি জমানোর পর থেকেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও ক্রীড়া মহলে শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন।
শৈশবে খাইবার পাখতুনখোয়ার উপজাতীয় এলাকায় জন্ম হলেও আফ্রিদির জীবনের সিংহভাগ কেটেছে করাচিতে। তবে সম্প্রতি তিনি করাচি ছেড়ে স্থায়ীভাবে ইসলামাবাদে বসবাস শুরু করেছেন।
রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সরাসরি ঘোষণা না দিলেও আফ্রিদি বলেন, আমি চাই পাকিস্তান সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাক। আর সেটা তখনই সম্ভব, যখন নির্বাচিত সরকার এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সাংবিধানিক মেয়াদ পূর্ণ করতে দেওয়া হবে।
তিনি আরও যোগ করেন, পাকিস্তান এবং পাকিস্তান ক্রিকেট আমাকে নাম, খ্যাতি, সম্পদ—সবই দিয়েছে। এখন সময় এসেছে দেশকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার। দেশের জন্য বড় কিছু করার ইচ্ছা আমার সবসময়ই আছে।
আফ্রিদি জানান, এর আগেও তাকে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। তার মতে, কোনো একটি নির্দিষ্ট পদে আসীন হওয়া তার লক্ষ্য নয়; বরং তিনি এমনভাবে কাজ করতে চান যাতে দেশের ওপর বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের রাজনীতিতে আসা নতুন কিছু নয়। কিংবদন্তি ইমরান খান ক্রিকেট ছেড়ে রাজনীতিতে এসে দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত হয়েছেন। এছাড়া সরফরাজ নওয়াজের মতো তারকারাও রাজনীতির মাঠে সফল হয়েছেন।