বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ আসনে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে গণঅধিকার পরিষদ জাতিসংঘ সংস্থার সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দিল ইসরায়েল বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত ২০ গ্রেডের নতুন সরকারি বেতন স্কেল দেখে নিন ইবির দুর্নীতি ও অনিয়মের পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির ৫৯ নেতাকে বহিষ্কার দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে সেনাপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে ‘নবম জাতীয় বেতন কমিশন’ প্রতিবেদন পেশ বরিশালে চূড়ান্ত লড়াইয়ে ৩৬ প্রার্থী, পেলেন প্রতীক বরাদ্দ

চেক জালিয়াতির মামলায় ইভ্যালির রাসেলের কারাদণ্ড

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬

চেক জালিয়াতির মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেলকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে এ আদেশ দেন আদালত।

প্রতিষ্ঠানটি একসময় দেশে ই-কমার্স বিপ্লব ঘটানোর দাবি করলেও বর্তমানে তা অসংখ্য মামলা ও আইনি মারপ্যাঁচে জর্জরিত। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে র‍্যাবের অভিযানে এই দম্পতি প্রথমবার গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইভ্যালির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পর তারা জামিনে মুক্তি পান এবং ইভ্যালি পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

রাসেল ও শামীমা দাবি করেছিলেন যে নতুন করে ব্যবসা শুরু করার মাধ্যমেই তারা পর্যায়ক্রমে গ্রাহকদের পুরনো দেনা পরিশোধ করবেন। সেই উদ্দেশ্যে তারা ‘ইভ্যালি ২.০’ নামে নতুন করে কার্যক্রম শুরু করলেও বিভিন্ন মামলায় সাজার রায় ঘোষণা হতে থাকায় তারা আবার গা ঢাকা দিয়েছেন।

শুধু এই মামলাই নয়, বরং দেশের বিভিন্ন আদালতে এই দম্পতির বিরুদ্ধে শত শত মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি মামলায় ইতোমধ্যেই তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা এক মামলায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে রাসেল ও শামীমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২২ সালের এপ্রিলে জামিনে মুক্তি পান শামীমা। গত ১৯ ডিসেম্বর রাসেলও জামিনে মুক্তি পান। পরে গত বছরের জুনে একটি মামলায় তারা দণ্ডিত হন।

চট্টগ্রামে এক মামলায় ২০২৪ সালের ২ জুন তাদের সাজা হয়। এরপর দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ওই সময় থেকে প্রায় দেড় বছর ধরে দুজন ফেরারি। আদালত ও মামলার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পৃথক ছয় মামলায় মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিনের ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের দুই লাখ সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

গত বছরের ১২ নভেম্বর গ্রাহকের করা মামলায় মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন ঢাকার আদালত। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়। একই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আরেক মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত। একই সঙ্গে তাদের পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

এ ছাড়াও গত বছর ১৩ এপ্রিল রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার সিএমএম আদালত। তাদের পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়। এর ৭ দিন আগে ৬ এপ্রিল রাসেল দম্পতিকে তিন বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার আদালত। একই সঙ্গে তাদের পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়াও গত বছরের ২৯ জানুয়ারি প্রতারণার মামলায় তাদের দুই বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া গত বছরের ২ জুন চেক প্রত্যাখ্যানের মামলায় রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই সঙ্গে চেকের সমপরিমাণ এক লাখ ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102