কোরবানির নেসাব হিসাব করার সময় যেসব সম্পদ ধরা হবে:
১. টাকা-পয়সা
২. সোনা-রূপা
৩. অলংকার
৪. ব্যবসার পণ্য
৫. প্রয়োজনের অতিরিক্ত জমি
৬. অতিরিক্ত বাড়ি বা গাড়ি
৭. অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র
তবে বসবাসের ঘর, প্রয়োজনীয় পোশাক বা দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসের মধ্যে ধরা হবে না।
কত টাকা থাকলে কোরবানি ওয়াজিব?
কোরবানির নেসাব নির্ধারণ করা হয় সাড়ে ৫২ ভরি রুপার মূল্যের ভিত্তিতে। বর্তমানে সেই হিসাব অনুযায়ী, কারও কাছে যদি প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৮ টাকা বা সমমূল্যের অতিরিক্ত সম্পদ থাকে, তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে।
তবে রুপার দাম ওঠানামা করতে পারে। তাই ১০ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজের মধ্যে রুপার বাজারমূল্য অনুযায়ী হিসাব করতে হবে।
ইসলামি চিন্তাবিদরা জানান, শুধু টাকা নয় সোনা, রূপা ও অন্যান্য অতিরিক্ত সম্পদ মিলিয়েও যদি নেসাব পূর্ণ হয়, তাহলেও কোরবানি দিতে হবে।
কোরবানির সবচেয়ে বড় শিক্ষা
কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়, এটি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা, ত্যাগ ও আনুগত্যের প্রতীক। তাই এই ইবাদত শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই করতে হবে।
হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কোরবানির দিনের আমলগুলোর মধ্য থেকে পশু কোরবানি করার চেয়ে অন্য কোনো আমল মহান আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় নয়।’ (তিরমিজি: ১৪৯৩)।