অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বলেছেন, অস্ট্রেলিয়া একটি বহুসংস্কৃতির দেশ এবং এই বৈচিত্র্যই দেশটির সবচেয়ে বড় শক্তি। কমিউনিটির সঙ্গে সরাসরি সংলাপকে তিনি নীতিনির্ধারণের অপরিহার্য অংশ বলে মন্তব্য করেন।
বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, সমাজে বর্ণবাদের কোনো স্থান নেই এবং এর বিরুদ্ধে সকলকে একজোট হয়ে সোচ্চার হতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দক্ষ কর্মী অস্ট্রেলিয়ায় আনার বিষয়েও ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১টায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনির লাকেম্বায় একটি ক্যাফে সেন্টারে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে এক উষ্ণ ও প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে একেবারে মুখোমুখি এই সংলাপে প্রবাসী বাংলাদেশিরা তুলে ধরেন তাদের দীর্ঘদিনের জমানো উদ্বেগ, প্রত্যাশা ও নানা সমস্যার কথা।
সভায় কমিউনিটি নেতা ও ব্যবসায়ী আলী সিকদার স্থানীয় বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের বিষয়গুলো সরাসরি মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। কমিউনিটির প্রতিটি উদ্বেগ ও প্রস্তাব মনোযোগ দিয়ে শুনে মন্ত্রী আশ্বাস দেন, এগুলো নীতিনির্ধারণে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
সভায় মন্ত্রী টনি বার্ক আরও বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কমিউনিটির পাশে দাঁড়াবে। তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে, কমিউনিটির সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে সরকার আগেও পাশে ছিল, আগামীতেও থাকবে। একসাথে কাজ করলে একটি শক্তিশালী ও সংযুক্ত সম্প্রদায় গড়ে তোলা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্যান্টারবেরি অ্যান্ড ব্যাংকসটাউন সিটি কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলর র্যাচেল হারিকা, স্থানীয় মসজিদের ইমাম শায়খ রেদওয়ান, ব্যবসায়ী জামাল হোসেন, ইউছুফ আব্দুল্লাহ, বেরি, সিনিয়র সিটিজেন পিটার এবং শিক্ষার্থী শাকিল সিকদার, তারেক, রাজু, অনব, সাব্বির ও শিশিরসহ কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণির ব্যক্তিবর্গ।