পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, বোঝার বদলে পরবর্তী সরকারের কাজ কমিয়ে দিয়ে গেলাম। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে শেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
তৌহিদ হোসেন বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণমতের প্রতিনিধিত্বশীল হবে। সুষ্ঠুভাবে ভোট গণনা সম্পন্ন হবে। তিনি আরও যোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার সব ক্ষেত্রে সফল হয়েছে না, তবে চেষ্টা করেছে। বোঝা রেখে যাওয়ার পরিবর্তে পরবর্তী সরকারের কাজ কমিয়ে দিয়েছি। বিভিন্ন চুক্তি অনেক আগে থেকেই চলছিল, এই পর্যায়ে এসে স্বাক্ষর হয়েছে।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্পর্ক মসৃণ নয়, কিছু ক্ষেত্রে থমকে রয়েছে। আশা করি পরবর্তী সরকারের সময় দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক আরও মসৃণ হবে। তিনি সতর্কও করেন, অন্য দেশ ভিসা না দেয়ার জন্য পুরো দায় আমাদের। ভারতের ক্ষেত্রে নৈরাশ্য নয়, আশাবাদী হতে হবে।
তিনি বলেন, দেশ নতুন করে স্বাধীন হওয়ার পরও আমার স্বাধীনতা শেষ হয়েছিল। সরকারের মধ্যে নানা টানাপোড়েন থাকে, এটি রাজনৈতিক খেলার অংশ।
গত দেড় বছরে বিনিয়োগের অগ্রগতি খুব কম হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নিলে বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসবেন। মানব সম্পদের অবস্থা খুবই খারাপ। গ্র্যাজুয়েটরা প্রায়শই শিক্ষিত নয়। কারিগরিতে যারা সার্টিফিকেট নেয়, তারা সেই কাজটি ঠিকমতো করতে পারে না।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কূটনীতিক পাসপোর্ট সেরেন্ডার করার বিষয়টিকে সামান্য ঘটনা হিসেবে দেখেছেন তিনি। এছাড়া, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ভারত সরকার এখনও কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি বলে জানানো হয়েছে।