আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তপশিল ঘোষণার একদিনের মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদি দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেন সিইসি।
নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই ঘটনাটি আমার কাছে মনে হয়েছে—আমার মাথার ওপর বাজ পড়েছে। আমি আগের দিন তফসিল ঘোষণা করলাম, আর পরের দিনই এমন একটি ঘটনা ঘটল। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণে রোববার বিকেল ৪টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, ১১ ডিসেম্বর তপশিল ঘোষণার পর উদ্ভূত পরিস্থিতি ও গৃহীতব্য কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করার জন্য এই সভা ডাকা হয়েছিল, যা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়।এদিকে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আগে আটককৃত অপরাধীরা জামিনে মুক্ত আছে, এতে অপরাধ বাড়ছে। চোরাগুপ্ত হামলার শঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।’
তিনি বলেন, ‘ওসমান হাদিকে গুলি করার মতো চোরাগুপ্তা হামলাকে প্রতিহত করার জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।’