মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পুলিৎজার পুরস্কার পেল রয়টার্স-নিউইয়র্ক টাইমস-ওয়াশিংটন পোস্ট ভারত থেকে পুশইনের ঘটনা ঘটলে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে ঢাকা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডিজিটাল কৌশল ব্যবহার করে ব্র্যান্ড নির্মাণে এগিয়ে নোমান ঢলুয়ার কৃতি সন্তান নূর সাঈদ খান হৃদয় ঢাকায় ছাত্ররাজনীতির শীর্ষে—ছাত্রদল মহানগর পশ্চিমে সহ-সভাপতি ফুলের হাসি ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি আজ চীন সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভুয়া ডিগ্রি দিয়ে চিকিৎসা বাণিজ্যে, বিএনপি ছত্রছায়ায় বহাল তবিয়তে চেম্বার সাত অঞ্চলে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, সতর্কতা সংকেত নিউ মার্কেটসহ যেসব শপিংমল বন্ধ থাকবে আজ

নির্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবী

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬

আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা চার দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে সবাই এই সুযোগ উপভোগ করতে পারবে না। নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সরকারি কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংক্রান্ত কর্মীরা নির্বাচনকালীন ছুটি থেকে বঞ্চিত হবেন, কারণ তাদের দায়িত্ব হচ্ছে ভোটকেন্দ্রগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারিও সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপরের দুই দিন শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়, সাধারণ সরকারি কর্মীরা মোট ৪ দিনের ছুটি উপভোগ করবেন।

তবে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এই লম্বা ছুটি ভোগ করতে পারছেন না। নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তারা এই ছুটি থেকে বঞ্চিত হবেন। শফিকুল আলম বলেন, “নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। আজ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রমিকরা তিন দিন ছুটি পাবেন।” তবে শ্রমিকদের ছুটির বিস্তারিত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি এখনও কোনো তথ্য দেয়নি।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী ভোট প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য একটি অর্গানোগ্রাম অনুসরণ করা হয়।

রিটার্নিং অফিসার: ভোট প্রক্রিয়ার সর্বোচ্চ তত্ত্বাবধানকারী।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার: রিটার্নিং অফিসারের সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রিজাইডিং অফিসার: ভোটকেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্বে থাকেন।

সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার: প্রিজাইডিং অফিসারের অধীনে কাজ করেন, যাদের অধীনে থাকে দু’জন করে পোলিং অফিসার।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে সরকারি চাকরিজীবী ও শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করবেন। এজন্য নির্বাচনের সময় সরকারি কর্মীরা সাধারণ ছুটি ভোগ করতে পারবেন না।

যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে

১. জরুরি পরিষেবা (Emergency Services): বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরের কার্যক্রম।

২. যোগাযোগ ও পরিচ্ছন্নতা: টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট যানবাহন।

৩. চিকিৎসাসেবা (Healthcare Services): হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসা, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন।

৪. জরুরি অফিস: যেসব অফিস সরাসরি জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত।

সার্বিকভাবে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। এজন্য তাদের নির্বাচনের সময়ে সাধারণ ছুটি উপভোগের সুযোগ সীমিত রাখা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102