ইরানের আকাশে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর টানা দুই দিন ধরে চলা নাটকীয়তার অবসান ঘটেছে। দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর মার্কিন বাহিনীর অভিযানে দ্বিতীয় পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তিনি এখন নিরাপদ স্থানে রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রোববার (৫ এপ্রিল) এ তথ্য জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধারকারী বাহিনীর সুনির্দিষ্ট পরিচয় প্রকাশ করা না হলেও ধারণা করা হচ্ছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিযানে পারদর্শী স্পেশাল অপারেশন ফোর্সের সদস্য।
ধরে চলা নাটকীয়তার অবসান ঘটেছে।
উদ্ধার অভিযানটি গভীর রাতে শুরু হয়ে ভোরে শেষ হয়। এ সময় তীব্র গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে। মার্কিন প্রশাসনের কাছে পাইলটের অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য থাকলেও ইরানি কর্তৃপক্ষও বিষয়টি আঁচ করতে পেরেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া বিমান সদস্যের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ‘এয়ারম্যান’ শব্দটি লিঙ্গ-নিরপেক্ষভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে তিনি নারী না পুরুষ তা এখনো নিশ্চিত নয়।
অভিযানটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল বলে জানা গেছে। উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হওয়ার পরও কিছু সময় পর্যন্ত উদ্ধারকারী দল ও পাইলট বিপদের মুখে ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তারা সফলভাবে ইরানের সীমানা অতিক্রম করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এক বার্তায় উদ্ধার অভিযানের সফলতার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসের অন্যতম সাহসী ‘সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ’ অভিযান এবং উদ্ধার হওয়া কর্মকর্তা বর্তমানে সুস্থ ও নিরাপদ আছেন।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া ওই কর্মকর্তা সামান্য আহত হলেও দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।