আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ থাকবে দোকানপাট ও বিপণিবিতান। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে এসে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এসব তথ্য জানান।
এদিন রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে বৈঠকে বসেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বৈঠক চলে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সন্ধ্যা ৬টার পর দেশের সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রাখতে হবে।
তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান এবং খাবারের দোকানের মতো জরুরি সেবাগুলো এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কঠোরভাবে মনিটর করবে বলেও জানান তিনি।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জানা গেছে, জরুরি সেবা হিসেবে ফার্মেসিগুলো রাত পর্যন্ত বা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকতে পারবে।
এ ছাড়া খাবারের দোকানগুলো এবং জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকানগুলো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি রয়েছে। হাসপাতাল-সংলগ্ন দোকান বা জরুরি পরিষেবা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকতে পারে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈঠকটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন এবং যাতায়াতের সময় বাঁচাতে ও যানজট এড়াতে সংসদ ভবনেই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।
অফিসের সময়সূচি এক ঘণ্টা কমিয়ে আনার কথা উল্লেখ করে নাসিমুল গণি বলেন, আগামী কার্যদিবস থেকে সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ অফিসের সময় ১ ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকগুলো চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত; তবে আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করতে বিকেল ৪টায় বন্ধ হবে ব্যাংক।