প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচনে নতুন প্রার্থীরা সরব হয়েছেন। এই কাতারে উঠে এসেছে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমের নাম।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে হিরো আলম জানিয়েছেন, তিনি আমজনতা দলের হয়ে নয়, অন্য কোনো দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে পারেননি। এবার বগুড়া-৬ আসন খালি থাকায় নতুনভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।
হিরো আলম বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্বাচন ও সংগ্রাম করেছি, মার খেয়েছি। মানুষ কি এগুলো ভুলে গেছে? এবারও যদি চেষ্টা করি, কেন না?
তিনি জানান, জামায়াত জোট বা এনসিপির প্রার্থী হচ্ছেন কি না তা এখনই স্পষ্ট করবেন না। অন্য দলের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। যদি কোনো দল মনোনয়ন না দেয়, তাহলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে নাটকীয় উপস্থিতির কারণে হিরো আলম বরাবরই আলোচনায় থাকেন। ২০২৩ সালে বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন, কিন্তু পরাজিত হন। চলতি বছরের ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ উপনির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকেও অংশ নিয়েছিলেন, তবে পরে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরে দাঁড়ান।
হিরো আলম বগুড়া সদরের এরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। শৈশবে চানাচুর বিক্রি করতেন, পরে সিডি ও ডিশ সংযোগের ব্যবসা শুরু করেন। নিজেই মিউজিক ভিডিও তৈরি ও ইউটিউবে সম্প্রচার করে জনপ্রিয়তা পান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ ভিডিও প্রকাশ করেছেন।