বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫ দফা দাবিতে আগামীকাল থেকে সারাদেশে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটের ডাক ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব হারাচ্ছেন মিরাজ, নতুন অধিনায়ক কে? এআই দিয়ে আগাম শনাক্ত হবে নিত্যপণ্যের সংকট: বাণিজ্যমন্ত্রী বাগেরহাটের রামপালে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মন্ত্রীর পরিদর্শন : ক্লিনিক সিলগালার পর, এবার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পরদিন মোরেলগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ক্লিনিক সিলগালা বাগেরহাটে খাল দখলমুক্তের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের অবস্থান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা সরকারি খাল দখলমুক্তের দাবিতে বাগেরহাটে তিন দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি শুরু ​পিলজংগ ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী সুইটি বেগম ত্যাগ, আদর্শ ও সংগ্রামের রাজনীতি: রাখালগাছির তরুণ নেতা শেখ মিজানুর মাহামুদ (রাজন)

কোন রঙের ডিম বেশি পুষ্টিগুণসম্পন্ন

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

সরবরাহ বৃদ্ধি ও বাজার পরিস্থিতির কারণে এখন তুলনামূলক কম দামে ডিম কিনতে পারছেন ক্রেতারা। সাধারণত বাজারে দুই রঙের মুরগির ডিম পাওয়া যায়—একটা সাদা খোলসের ডিম আরেকটা লাল বা বাদামি খোলসের। এর পাশাপাশি বাজারে পাওয়া যায় হাঁস এবং কোয়েল পাখির ডিম। ফলে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, এর মধ্যে কোন ডিম ভালো, কোনটা বেশি পুষ্টিগুণসম্পন্ন। 

ডিম থেকে যে স্নেহ পদার্থ পাওয়া যায়, সেটি মানবদেহের জন্য উপকারী। আর প্রাণিজ আমিষেরও অন্যতম এক উৎস ডিম। প্রয়োজনীয় অন্যান্য পুষ্টি উপাদানও ডিম থেকে পাই আমরা। তবে যে প্রজাতির পাখির ডিমই গ্রহণ করা হোক না কেন, তা থেকে এই পুষ্টি উপাদানের সব কটিই পাওয়া যাবে।

ডিমের রং মুরগির জাত ও জিনের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত, সাদা পালকের মুরগির ডিম সাদা এবং গাঢ় রঙের পালকের মুরগির ডিম লাল হয়ে থাকে। ডিমের খোসার রং বাদামি হয় মূলত মুরগির জরায়ুর মধ্যে থাকা শেল গ্ল্যান্ডের কারণে।

বিশেষ করে সাদা লেগহর্ন জাতের মুরগি বিভিন্ন রঙের হলেও তারা সবাই সাদা ডিম পাড়ে। অন্য দিকে প্লেমাউথ রকস বা রোড আইল্যান্ড মুরগিগুলো লাল ডিম পেড়ে থাকে। কিছু কিছু জাতের মুরগি সাদা হলেও লাল ডিম পাড়ে।

খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞানের মতে, লাল ডিম বা সাদা ডিমের পুষ্টিগুণে কোনো পার্থক্য নেই। তবে আকারভেদে পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের তারতম্য হয়। অবশ্য হাঁসের ডিম আকারে একটু বড় বলে তা থেকে পুষ্টি উপাদান পাওয়া যাবে একটু বেশি।

কোয়েল পাখির ডিম আকারে বেশ ছোট। তাই তাতে পুষ্টি উপাদানগুলোর পরিমাণও অনেকটাই কম। মুরগির একটি ডিম থেকে যে পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, তা কেবল কোয়েল পাখির ডিম থেকে পেতে হলে আপনাকে কোয়েল পাখির ডিম খেতে হবে দুটি বা তিনটি।

নিউ ইয়র্কের এক দল গবেষকের মতে লাল ডিমে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সামান্য বেশি রয়েছে। কিন্তু সেই পার্থক্য এতটাই সামান্য যে তাতে খুব একটা ফারাক হয় না। সে ক্ষেত্রে বলা যায় দুই রঙের ডিমের খাদ্যগুণ প্রায় সমান।

তবে বাজারে ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধ ডিম, অর্গানিক ডিম, জৈব এবং নন-জিএমও ফিড দেওয়া মুরগির ডিম, খোলামেলা জায়গায় পালন করা দেশি মুরগির ডিম ইত্যাদির বেশ কদর রয়েছে।

সুতরাং মুরগির ডিমের রং নয় বরং মুরগি কী ধরনের খাবার খায় এবং কী ধরনের পরিবেশে বেড়ে ওঠে সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

যেসব মুরগি প্রাকৃতিক উপায়ে পুষ্টিকর খাবার খুঁজে খুঁজে খায় সেসব মুরগির ডিমে ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, খনিজ উপাদান এবং ফ্যাট বেশি থাকে।

অন্যদিকে খামারের মুরগির ডিমে এই ভিটামিন ও খনিজ কিছুটা কম থাকলেও প্রোটিনের পরিমাণ বেশি এবং ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকে।

তবে অনেক পোল্ট্রি বিশেষজ্ঞ বলছেন, গৃহস্থালির মুরগি রোদে বেশি থাকায় এগুলোর ডিমে ভিটামিন-এ ও ডি বেশি থাকে৷ আবার খামারে ভালো ফিড খাওয়ানো মুরগির ডিমের পুষ্টি অনেক সময় এসব গৃহস্থালি মুরগির ডিমের চাইতেও বেশি হয়। কারণ তাদের নিয়মিত ভালো মানের খাবার দেওয়া হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102