পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের সময় জামায়াতে ইসলামীর এক ইউনিয়ন সভাপতিসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ও সন্ধ্যায় উপজেলার মাধবখালী এবং কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন থেকে পৃথকভাবে তাদের আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে মাধবখালী ইউনিয়নের কিসমত রামপুর গ্রামে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা বিতরণ করছিলেন জামায়াত সদস্য কামাল হোসেন মিরা। তিনি শৌজালিয়া গ্রামের মৃত লাল মিয়া মিরার ছেলে। টাকা দিয়ে ভোট কেনার সময় স্থানীয়রা তাকে ধাওয়া করে। এ সময় তিনি আত্মরক্ষার্থে ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের বাসভবনে আশ্রয় নিলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।
খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা লিজা ও মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহীন চৌধুরী পাশা বলেন, কামালের কাছে ৫০ হাজারেরও বেশি টাকা ছিল।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানান, ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আটকের সময় তার কাছে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পাওয়া গেছে।
এদিকে, সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ৫ নম্বর কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কিসমত খাটাশিয়া গ্রামে ভোট কিনতে গিয়ে ১০ হাজার টাকাসহ আটক হন ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি সাইদুর রহমান (৫০)। তিনি দক্ষিণ গাবুয়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাইদুর রহমানের সঙ্গে থাকা মোসলেম কাজী নামে অন্য এক ব্যক্তি বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন।