আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাটের খানপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মো. ইমরান তরফদারকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও আগ্রহ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ওয়ার্ডের তরুণ ও যুবসমাজের একটি অংশ তাকে সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে দেখছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ইমরান তরফদার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অনেক মানুষের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলেও স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। কে প্রার্থী হচ্ছেন, কার জনপ্রিয়তা কতটা এবং শেষ পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন কোন প্রার্থীর দিকে যায়—এসব বিষয় নিয়েই চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।
এরই মধ্যে আসন্ন খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় জনগণের সমর্থন ও দোয়া কামনা করেছেন মো. ইমরান তরফদার।
ইমরান তরফদার বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি দল-মত ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান। একটি আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ওয়ার্ড গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
তার ঘোষিত পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কাজ করা, কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের বিষয়ে সহযোগিতা করা, যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে উদ্যোগ নেওয়া এবং অসহায়, দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
এ ছাড়া এলাকার রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
ইমরান তরফদারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং অসহায় মানুষের জন্য সামাজিক সহায়তা কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্বাচন ঘিরে এখনো বিভিন্ন প্রার্থীকে নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে ইমরান তরফদারের সামাজিক যোগাযোগ ও তরুণদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে একটি অংশের মধ্যে ইতিবাচক আগ্রহ রয়েছে। যদিও নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এলে ভোটারদের অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন তারা।
তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেবেন, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি, কর্মপরিকল্পনা, জনসম্পৃক্ততা ও গ্রহণযোগ্যতার বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়ছে। নির্বাচনী মাঠে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা এবং ভোটারদের প্রত্যাশার ওপরই এখন নজর স্থানীয়দের।
উল্লেখ্য: নির্বাচনের তারিখ, তফসিল ও প্রার্থিতা সংক্রান্ত চূড়ান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।