স্বাস্থ্যসেবা করুণা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার উল্লেখ করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, একেবারে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গবেষক, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ও প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে পারলে দেশে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিজয় সরণিতে নভথিয়েটারে ইনোভেশন ফেয়ারে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবায় উদ্ভাবন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, গবেষক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি রয়েছে। তারা একযোগে কাজ করলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্যানসার ও ডায়াবেটিসের মতো রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি আরও বাড়ানো প্রয়োজন। প্রযুক্তি ও গবেষকদের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশেই বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি জানান, স্বাস্থ্য খাতকে এমনভাবে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে যেখানে স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ ধীরে ধীরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা যায়।
সেমিনারে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে উদ্ভাবনগুলো দেশে ট্রায়ালের মাধ্যমে কাজে লাগাতে হবে। দেশের যেসব বিজ্ঞানী বিদেশে কাজ করছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে রোগীদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে রোগীদের ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজ ও আধুনিক করা সম্ভব।