রাজনৈতিক গুরুত্ব ও ভোটাধিকার : লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের অধ্যাপক মিকদাদ আসারিয়া জানান, ব্রিটিশ মুসলিমদের নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর পুরোনো ধ্যানধারণা এখন অচল। বর্তমানে ভোট প্রদানের বয়স ১৬ বছরে নামিয়ে আনার যে প্রস্তাব সরকারের বিবেচনায় রয়েছে, তা কার্যকর হলে আরও প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার নতুন মুসলিম ভোটার যুক্ত হবে। এটি যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আবাসন ও বৈষম্যের চিত্র : সাফল্যের পাশাপাশি কিছু উদ্বেগের চিত্রও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। মুসলিম পরিবারগুলোর মধ্যে একক অভিভাবক (Lone-parent) পরিবারের হার ১০.৩ শতাংশ, যা জাতীয় গড়ের (৬.৯ শতাংশ) চেয়ে বেশি। এছাড়া আবাসন মালিকানার ক্ষেত্রেও মুসলিমরা পিছিয়ে আছে। জাতীয় গড় যেখানে ৬৩ শতাংশ, সেখানে মুসলিমদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ৪১.৫ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কোনো সাংস্কৃতিক ব্যর্থতা নয়, বরং দীর্ঘদিনের কাঠামোগত বৈষম্য, কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য এবং অনুন্নত আবাসন ব্যবস্থার ফল। তবুও এই তরুণ ও শিক্ষিত প্রজন্ম ব্রিটেনের অর্থনীতিতে করদাতা এবং দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।