প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি যতবার দেশ পরিচালনা করেছে, চেষ্টা করেছে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর। আগামী ৫ বছরে সরাসরি কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধনের পর বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এর মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ ছিল। এ ছাড়া যেসব কৃষকের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ ছিল, আমরা প্রথম এক সপ্তাহে তা মওকুফ করেছি। বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ কৃষক এ সুবিধা পেয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে হয়তো মাত্র ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। ইনশাল্লাহ, আগামী ৫ বছরে সরাসরি কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিনির্ভর এলাকায় কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা আরও দাম পেতে পারেন। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সোমবার বসেছি। বিভিন্ন দেশ এবং দেশীয় ব্যবসায়ীরা কোল্ডস্টরেজ তৈরিতে আগ্রহী। এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগী।
কৃষককে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা বিএনপির লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত। বাকিরা কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রধান পেশা কৃষি। বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে, কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। তাই বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার ১০টি সুবিধা সংবলিত কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।