তথ্য ভুলের কারণে যেসকল স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসবভাতা বকেয়া রয়েছে তাদের বিল সাবমিট করার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে।
মাউশি সূত্রমতে , মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) অধিদপ্তরাধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের বকেয়া এমপিও অর্থ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পরিশোধের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য বিল সাবমিট অপশন চালু করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সময়ের এমপিও অর্থ ইতোমধ্যে ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়েছে। তবে আইবাস ডাবল প্লাস সিস্টেমে তথ্য যাচাইয়ের সময় যেসব শিক্ষক-কর্মচারীর এনআইডি বা ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য ইনভ্যালিড হওয়ায় বেতন স্থগিত ছিল এবং পরবর্তীতে তথ্য সংশোধনের মাধ্যমে বেতন সচল হয়েছে—তাদের বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের নির্দিষ্ট মাসের এমপিও বিল বা উৎসব ভাতা বকেয়া রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে নিজস্ব আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করে বকেয়া মাসগুলোর বিল আলাদা আলাদাভাবে সাবমিট করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিলকৃত তথ্যের ভিত্তিতেই শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া এমপিও অর্থ ইএফটির মাধ্যমে ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ইএফটি সিস্টেম চালুর পর ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ সময়ের মধ্যে যদি কোনো শিক্ষক-কর্মচারী ভুল তথ্যজনিত কারণে সৃষ্ট বকেয়া অনলাইন এমপিও আবেদনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে গ্রহণ করে থাকেন, তবে বিল সাবমিটের সময় তাদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট নেই অপশন নির্বাচন করতে হবে। প্রতিটি বকেয়া পাওয়ার যোগ্য শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য বিধিমোতাবেক প্রাপ্য এমপিও অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে আলাদাভাবে বিল সাবমিট করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর মৃত্যু, পদত্যাগ, সাময়িক বরখাস্ত, অনুমোদনহীন অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে আংশিক বা সম্পূর্ণ বেতন কর্তন-বন্ধের প্রয়োজন হলে তা বির সাবমিট অপশনে উল্লেখ করতে হবে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইএফটির মাধ্যমে এমপিও অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিলকৃত তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর টাকা পাঠানো না হলে বা অতিরিক্ত টাকা দেয়া হলে এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে।