শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রামপালে রেকর্ডীয় খাল দখলমুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন গাজীপুরে গৃহবধূ মিম হত্যার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি আলম গ্রেপ্তার বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে দিপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক বাগেরহাটে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ১১টি গরু ও ট্রাক’সহ আটক ৩ বিদেশ পাঠানোর কথা বলে দশ লক্ষ ষাট হাজার টাকা ‘আত্মসাৎ’ করেছে প্রতারক সাগর রামপালে সন্ত্রাসী হামলায় যুবক গুরুতর আহত, এলাকায় আতঙ্ক সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ ৫ দফা দাবিতে আগামীকাল থেকে সারাদেশে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটের ডাক ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব হারাচ্ছেন মিরাজ, নতুন অধিনায়ক কে? এআই দিয়ে আগাম শনাক্ত হবে নিত্যপণ্যের সংকট: বাণিজ্যমন্ত্রী

ভারতের অরুণাচলের দখল পেতে মরিয়া চীন

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগরের সঙ্গে ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ওপর নিজেদের দাবিকে ‘জাতীয় স্বার্থ’ হিসেবে বিবেচনা করছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে জমা দেওয়া পেন্টাগনের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন সরকার তাদের জাতীয় স্বার্থের পরিধি সম্প্রসারণ করেছে। তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন সাগরে সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক দাবি, জাপানের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ এবং অরুণাচল প্রদেশকে জাতীয় স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে তারা।

এসব ভূখণ্ড এবং সামুদ্রিক অঞ্চলে কর্তৃত্ব স্থাপন করতে বৈশ্বিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান আরও সমুন্নত করতে চায় চীন। একই সঙ্গে ‘যুদ্ধ জয়ের’ সক্ষমতাসম্পন্ন একটি ‘বিশ্বমানের’ সামরিক বাহিনী গড়ে তুলতেও বদ্ধপরিকর তারা।

ভারত-চীন সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারত সরকার লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি) থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তির ঘোষণা দেয়। ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের দুই দিন আগে এ চুক্তি হয়।

ওই বৈঠকের মধ্য দিয়ে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, সরাসরি বিমান চলাচল, ভিসা সহজীকরণ এবং শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিকদের বিনিময়সহ বিভিন্ন বিষয়ে মাসিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের সূচনা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলএসিতে উত্তেজনা কমিয়ে চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক আরও গভীর হওয়া ঠেকাতে উদ্যোগী হচ্ছে। তবে পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে ভারত সতর্ক অবস্থান বজায় রাখবে। আর এই অবিশ্বাসের ফলে দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক শীতলই থাকবে।

প্রতিবেদনটিতে পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতা গভীরতর হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। বেইজিং পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথভাবে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে এবং চীনের তৈরি জে-১০ বহুমুখী যুদ্ধবিমানের একমাত্র ক্রেতাও পাকিস্তান।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102