ঢাকাসহ দেশের ১৪টি অঞ্চলে আজ দুপুরের আগেই ঝড়ো আবহাওয়ার সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার
দেশের ৯ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শরিবার (২০ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ
দেশের ১৫টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার
রাত ১টার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দেশের ১৮টি জেলার ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে। শনিবার (৬ জুন)
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহের মধ্যেই সপ্তাহজুড়ে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে মাঝারি
দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (৩ জুন) একদিনেই দেশের ৪৮টি জেলায় তাপপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি বছরে এক দিনে সর্বোচ্চ বিস্তৃত তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাধারণত মে
দেশজুড়ে তীব্র খরা চললেও দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিন জেলায় ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে এসব এলাকায় এ ধরনের আবহাওয়া
দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। সকাল শুরু হওয়ার আগেই গরমের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে, আর দিনের বাকি সময়জুড়ে ভ্যাপসা আবহাওয়ায় নাকাল মানুষ। অতিরিক্ত গরমে রাতের ঘুম ব্যাহত হচ্ছে, ঘরের
দেশের ১৩ অঞ্চলে দমকা থেকে ঝড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর ২টা থেকে দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এ সতর্কতা জারি
পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে)। ঈদের নামাজ, কোরবানি ও স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত মানুষ। তবে উৎসবের দিনে আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা নিয়েও রয়েছে ব্যাপক