সারা দেশে চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারা জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে এবং তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। বুধবার (১১ জুন)
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫ বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। বিভাগগুলো হচ্ছে- রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল। সেই সঙ্গে সারা দেশে দিনের
রোববার (৮ জুন) দুপুর পর্যন্ত ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই এলাকায়
দেশের কয়েকটি বিভাগে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (৭ জুন) সংস্থাটির দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ। আগামী পাঁচদিনও বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল শনিবার (৩১ মে) সন্ধ্যা ৬টা
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে টানা বা থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। আট বিভাগেই আকাশের একই অবস্থা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আগামী ৭ জুন সারা দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা
টাঙ্গাইল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি। এটি আরও উত্তর ও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝড়িয়ে ক্রমশ দুর্বল হতে পারে। আজ শুক্রবার দুপুরে আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব
গভীর নিম্নচাপের কারণে উপকূলীয় জেলা ও চরাঞ্চলে চার ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। বৃহস্পতিবার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত
ঢাকাসহ দেশের ৯ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য
উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ অবস্থায় দেশের চার সমুদ্রবন্দর- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ৩ নম্বর