ইউক্রেন-পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলার ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও ইউরোপীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইয়াহোদেন স্টেশনে হামলায় ট্রেনটির ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
হামলার মাত্র ১৫ মিনিট আগে ট্রেনের যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে ড্রোনটি আঘাত হানে বলে ইউক্রেন ও পোল্যান্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বরিস জনসনসহ ইউরোপীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা কিয়েভে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলন শেষে একই রুটে ফিরছিলেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেল কর্তৃপক্ষের ধারণা, ড্রোন হামলার মূল লক্ষ্য সম্ভবত কূটনৈতিক ট্রেনটি ছিল।
রাশিয়া জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলের রেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা এ ঘটনাকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সন্ত্রাসের সরাসরি ইউরোপীয় সীমান্তে পৌঁছে যাওয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কও জরুরি বৈঠক ডেকে সতর্ক করে বলেছেন, রুশ আগ্রাসন এখন তাদের সীমান্তের আরও কাছে চলে আসছে। বরিস জনসন ইউক্রেনের জন্য দ্রুত আরও বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে উত্তর কোরিয়ার আরও সেনা মোতায়েনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দাবি, রাশিয়ায় ৫০ হাজার পর্যন্ত উত্তর কোরীয় সেনা পাঠানো হতে পারে। এর আগে প্রায় ১৩ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা রাশিয়ার হয়ে কুরস্ক অঞ্চলে লড়াই করেছিল।