ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও একাডেমিক উন্নয়নের পাশাপাশি সুস্থ সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এই টুর্নামেন্টের খেলা শুরু হয়।
টুর্নামেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব অনুষদভুক্ত চারটি বিভাগ—আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ অংশগ্রহণ করে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ এবং আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ। নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র হওয়ায় খেলা গড়ায় ট্রাইবেকারে। এতে আল হাদিস বিভাগকে ৩-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আল কুরআন বিভাগ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাকির হোসাইন। এছাড়াও ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ ব ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী, জিয়াউর রহমান হলের সাবেক প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শেখ জাকির হোসেন, আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, অধ্যাপক খান মোঃ ইলিয়াস, আল-হাদিস বিভাগের অধ্যাপক ড. ময়নুল হক, জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
টুর্নামেন্ট আয়োজন প্রসঙ্গে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা ও বিশিষ্ট ইসলামী ব্যক্তিত্ব মাওলানা মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর স্মৃতিকে ধারণ করতেই এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন। নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাগত জানানো, তাদের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং একটি সুন্দর, ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।
জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার সভাপতি মোঃ শামীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেদের মেধা, মনন ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাবে। দল-মত ও মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে জ্ঞান, চরিত্র, শৃঙ্খলা ও মানবিকতায় সমৃদ্ধ করে ক্যাম্পাসে একটি নিরাপদ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে তালাবায়ে আরাবিয়া কাজ করে যাবে।