বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুষ্ঠ নিরাময়ে দরকার সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগ সাইনবোর্ড নেই, অনুমোদনও নেই : চাঁদপুরে এমএলএম প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত ফাইনালে ট্রফি জিতল যে দল আশুলিয়ায় দম্পতি-নবজাতক হত্যায় জড়িত সাবেক প্রেমিক আট বছর পর ফিরেও ব্যর্থ, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন প্রীতি জিনতা বেনাপোল স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে ২৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন ঠাসা সূচিতে টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় পেসারদের ওয়ার্কলোড ভয়ংকর সেই ‘ভাতার মারিতেই’ গড়ে উঠছে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙনে নিঃস্ব মানুষ, গৃহহীন শত শত পরিবার হাসিনাকে ফেরানোর পথ তৈরি করা হচ্ছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

আগামী বছর সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল: প্রতিমন্ত্রী

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আগামী বছরের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, ‍“বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে। বাকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে আগামী বছর থেকে একই ধরনের কর্মসূচি ‘মিড ডে মিল’-এর আওতায় আনা হবে।”

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, “মিড ডে মিল আগামী বছরের ভেতরে আমরা সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।”

 

মিড ডে মিলে খাবারের তালিকায় পরিবর্তন আনা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “খাবারের পুষ্টিমান ঠিক রেখে পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। নতুন কোনো খাবার যুক্ত করা হলে এর সরবরাহ ব্যবস্থা ও পুষ্টিমান দুটিই বিবেচনায় নেওয়া হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি যে, অন্য কোনো ধরনের পরিবর্তন আনতে চাই কি না, নিউট্রিশন ভ্যালুটা একই রেখে।”

খাবারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগাম চুক্তির বিষয়েও কাজ চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রয়োজন হলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আগেই চুক্তি করা হবে। এতে তারা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে পারবে এবং পরবর্তী বছর থেকে সরকার প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারবে।”

মিড ডে মিল কর্মসূচির খাবারের মান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ববি হাজ্জাজ জানান, গত কয়েক মাসে এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। গত এক মাসে তিনি নিজে ১২ থেকে ১৪টি জেলা পরিদর্শন করে কর্মসূচির পরিস্থিতি দেখেছেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, “শুরুর দিকে যে ফল্ট লেভেলগুলো ছিল, সেগুলো একদম কমে গেছে। আমি হয়তো জিরো বলব না, কিন্তু জিরোর কাছাকাছি চলে এসেছে।”

কিছু এলাকায় মিথ্যা প্রতিবেদনও পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি খাবারের মান যাচাইয়ে মায়েদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “খাবার গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ‘মাদার্স কমিটি’কে যুক্ত করা হয়েছে। এ কমিটিতে তিনজন মা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও একজন শিক্ষক থাকছেন। খাবার গ্রহণযোগ্য মনে না হলে তা ফেরত পাঠানোর বিষয়ে মায়েদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

তিনি বলেন, “তারা যদি এক্সেপ্টেবল না মনে করেন, ইমিডিয়েটলি তারা ফেরত পাঠিয়ে দেবেন। এটাতেও আমরা অনেক ভালো রেজাল্ট দেখছি।”

প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া ও বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ফিরিয়ে আনতেও মিড ডে মিল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানান ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, “৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের আবার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আওতায় আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে, তাদের স্কুলে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102