রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলো সোনার দাম সালমান শাহর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও কালজয়ী প্রভাবের নেপথ্যে বিকেলে শপথ নেবেন পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া পাচারের সময় ৮ টন ইউরিয়া সার জব্দ, ট্রলার আটক দুমকিতে ইসলামী আন্দোলনের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন, সভাপতি হেলালি-সেক্রেটারি মাহাবুবুর রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল মনপুরায় জেলের জালে ধরা পড়ল ২৫ কেজির বিশাল কোড়াল ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতির আগমনে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ‘হেইও হেইও’ ধ্বনিতে কাঁপল ইছামতি, নৌকা বাইচে লাখো মানুষের ঢল মার্কিন হামলার পর ওমান উপসাগরে ডুবল ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

মাগুরায় আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। সোমবার (৩১ আগস্ট) আসামির আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) শুনানি নিয়ে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

গত ২৫ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রায়ের দিন পিছিয়ে নতুন করে আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। আদালতে হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।

গত বছরের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ মেয়েটিকে শুধু ধর্ষণই করেননি, হত্যারও চেষ্টা চালান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয় আট বছর বয়সী শিশুটির। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

রায়ে বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীব শেখের ছোট ভাই রাতুল শেখ এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে প্রেরণ করতে হয়। সে অনুসারে এ মামলার নথিও গত বছরের ২১ মে হাইকোর্টে আসে। পরে সব যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। প্রস্তুতের পর পেপারবুক ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকাভুক্ত হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102