চালকের অদক্ষতা, অসচেতনতা, স্বেচ্ছাচারিতা এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের কারণেই দেশে অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, জনগণের অসচেতনতা এবং একই সড়কে ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের যান চলাচলও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
রোববার (১৭ মে) রাজবাড়ী পৌর মিলনায়তনে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত ‘সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ ও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠান’ -এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ রাজবাড়ী সার্কেল।
জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
সড়ক ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, আজকের এই আয়োজন মূলত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সংহতি ও সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য। এটি আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতা এবং একটি জাতীয় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। তিনি বলেন, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের হাতে এসেছে এবং প্রতিবেদনে চালকের ত্রুটি ও যানবাহনের সমস্যাকেই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসময় তিনি আরও বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকার বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় চালকদের প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চোখ ও রক্তচাপ পরীক্ষা, মাদকাসক্তি শনাক্তকরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। সড়ক নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।