দ্বিতীয় দিনের খেলায় বোলার ও ব্যাটারদের সম্মিলিত পারফরম্যান্সে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে পাকিস্তানকে চাপে ফেলে স্বাগতিকরা। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে দায়িত্বশীল পারফরম্যান্সে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১১০ রান। হাতে আছে আরও ৭ উইকেট, আর লিড দাঁড়িয়েছে ১৫৬ রানে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭৮ রান করার পর পাকিস্তান অলআউট হয় ২৩২ রানে, ফলে প্রথম ইনিংস থেকেই ৪৬ রানের এগিয়ে ছিল টাইগাররা।
দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের শুরুতেই ফিরে যান অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ তামিম। মাত্র ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তার একমাত্র বাউন্ডারিটিই ছিল ইনিংসের একমাত্র রান নেওয়ার শট।
তবে দ্রুত সেই ধাক্কা সামলে নেন মুমিনুল হক ও মাহমুদুল হাসান জয়। বিশেষ করে জয় ছিলেন বেশ আত্মবিশ্বাসী ও আক্রমণাত্মক মেজাজে। শুরু থেকেই পাকিস্তানি বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে খেলেন তিনি। ৬১ বলেই তুলে নেন অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত ৬৪ বলে ৫২ রান করে আউট হন এই ওপেনার।
অন্যদিকে মুমিনুলও ছিলেন ছন্দে। ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে আরেকটি কার্যকর ইনিংসের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন তিনি। তবে ফিফটির আগেই থামতে হয় তাকে। ৬০ বলে ৩০ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তার আউটের কিছুক্ষণ পরই দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
এর আগে দিনের শুরুতে ২১ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। কিন্তু সকালের সেশনেই বাংলাদেশের বোলাররা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় লাঞ্চের আগেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
মধ্যক্রমে একমাত্র প্রতিরোধ গড়েন বাবর আজম। তিনি ৬৮ রান করে নাহিদ রানার শিকার হন। এছাড়া সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান কিছুটা চেষ্টা করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। একসময় ১৮৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তানকে দুইশ পার করান নিচের সারির ব্যাটাররা। ৯ নম্বরে নেমে সাজিদ খান ২৮ বলে ঝড়ো ৩৮ রান করেন। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের ইনিংস থামে ২৩২ রানে।