বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অজান্তেই শরীরে ঢুকছে রোগের বীজ—প্রতিদিনের এই ‘নিরীহ’ অভ্যাসগুলোই নষ্ট করছে আপনার স্বাস্থ্য! সাবেক কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি ভারতের স্কুলে উর্দু কবিতার জেরে চাকরি হারালেন মুসলিম প্রিন্সিপালসহ তিন শিক্ষক হান্টাভাইরাস কবলিত প্রমোদতরী থেকে দেশে ফিরলেন ১৮ মার্কিন নাগরিক ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির নতুন তথ্য জানাল পেন্টাগন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের বিয়ে আজ সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে জুয়া-মাদকের সাম্রাজ্য, কোটি টাকার লেনদেন ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানাল কাতার ফ্রান্স ফেরত মূর্তি নিয়ে ১৯ বছরের রহস্য

ভারতের স্কুলে উর্দু কবিতার জেরে চাকরি হারালেন মুসলিম প্রিন্সিপালসহ তিন শিক্ষক

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

ঘটনাটি নকাসা থানা এলাকার জালাব সরাইয়ে অবস্থিত পিএম শ্রী বিদ্যালয়ের। বিতর্কের সূত্রপাত হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও থেকে, যেখানে দেখা যায় শিশুরা কবি মুহাম্মদ ইকবালের বিখ্যাত উর্দু কবিতা “লাব পে আতি হ্যায় দুয়া বান কে তামান্না মেরি” আবৃত্তি করছে।

কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠী এবং স্থানীয় অভিযোগকারীদের দাবি, জাতীয় সংগীতের পরিবর্তে ইসলামি প্রার্থনা করা হচ্ছিল। এছাড়া ছাত্রীদের হিজাব পরতে এবং কিছু ছাত্রকে প্রার্থনার সময় টুপি পরতে উৎসাহিত করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।

কর্মকর্তাদের মতে, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বেসিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্কুলটিতে একটি আকস্মিক পরিদর্শন করেন। তদন্তে স্কুলের ভেতরে ধর্মীয় কার্যকলাপ প্রচারের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়, যা সরকারি শিক্ষা বিধির লঙ্ঘন বলে মনে করা হচ্ছে।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অঙ্কিত খন্ডেলওয়াল নিশ্চিত করেছেন যে, ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের জন্য প্রধান উন্নয়ন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আনজার আহমদ এবং সহকারী শিক্ষক মুহাম্মদ গুল এজাজকে বরখাস্ত করা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলা এবং এই কার্যক্রম বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বালেশ কুমারকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, নকাসা থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫৩(২) এবং ৬১(২) ধারায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষকরা এমন ধর্মীয় কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন যা স্কুলে ধর্মীয় বিবাদ বা অশান্তি সৃষ্টি করতে পারত।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুলদীপ সিং বলেন, “ব্লক শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষ থেকে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, এই কাজগুলো শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন, সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102