ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৯ বিলিয়ন ডলারে। মঙ্গলবার (১২ মে) মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে গত মাসের শেষ দিকে যুদ্ধ ব্যয়ের যে হিসাব দেয়া হয়েছিল, তার তুলনায় নতুন এই ব্যয় ৪ বিলিয়ন ডলার বেশি।
আগামী ছয় মাস পর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা কঠিন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছে এবং তারা যুদ্ধের ব্যয়কে দেশটির জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করে রাজনৈতিকভাবে ইস্যু তৈরি করার চেষ্টা করছে। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল পেন্টাগন জানিয়েছিল, সে সময় পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের ব্যয় ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলার।
পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত হিসাব নিয়ন্ত্রক জুলস হার্স্ট মঙ্গলবার আইনপ্রণেতাদের জানান, নতুন ব্যয়ের হিসাবে সামরিক সরঞ্জাম মেরামত ও প্রতিস্থাপন এবং বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার ব্যয় যুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যৌথ স্টাফ টিম এবং হিসাব নিয়ন্ত্রক টিম নিয়মিতভাবে এই ব্যয়ের হিসাব পর্যালোচনা করছে।’
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। তবে পেন্টাগন কীভাবে ২৯ বিলিয়ন ডলারের হিসাব নির্ধারণ করেছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। এর আগে মার্চ মাসে একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছিল অন্তত ১১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।