বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অজান্তেই শরীরে ঢুকছে রোগের বীজ—প্রতিদিনের এই ‘নিরীহ’ অভ্যাসগুলোই নষ্ট করছে আপনার স্বাস্থ্য! সাবেক কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি ভারতের স্কুলে উর্দু কবিতার জেরে চাকরি হারালেন মুসলিম প্রিন্সিপালসহ তিন শিক্ষক হান্টাভাইরাস কবলিত প্রমোদতরী থেকে দেশে ফিরলেন ১৮ মার্কিন নাগরিক ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির নতুন তথ্য জানাল পেন্টাগন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের বিয়ে আজ সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে জুয়া-মাদকের সাম্রাজ্য, কোটি টাকার লেনদেন ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানাল কাতার ফ্রান্স ফেরত মূর্তি নিয়ে ১৯ বছরের রহস্য

শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে ‘দুই বছর’ কমানোর উদ্যোগ সরকারের

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন থেকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত দুই বছর ঝরে পড়া বন্ধ করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারকদের সমন্বয়হীনতার কারণে যাতে কোনো শিক্ষার্থীর জীবন থেকে মূল্যবান সময় নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যেই ধীরে ধীরে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিত বা সিনক্রোনাইজ করা হচ্ছে।

বুধবার (১৩ মে) বিকেলে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ‘আইইউটি এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে কোনো শিক্ষার্থীকে সেশনজট কিংবা প্রশাসনিক জটিলতার কারণে অতিরিক্ত সময় নষ্ট করতে না হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পলিসি মেকারদের কারণে যেন কোনো শিক্ষার্থীর জীবন থেকে অতিরিক্ত দুই বছর ঝরে না পড়ে, সেজন্য আমরা ধাপে ধাপে সবকিছু সমন্বয় করছি।

তিনি আরও বলেন, সেশনজট যেন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়, সেভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আমাদের টার্গেট হলো, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন করা।

শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে শিক্ষাব্যবস্থায় যে অস্থিরতা ও অব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, সেগুলোর সমাধান করতেই সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের সময়, মেধা ও শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আইইউটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং উপ-উপাচার্য ড. হোসাইন আরাবি নুর।

এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষামন্ত্রী আইইউটির শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য, স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া গাড়ি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন। পরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন তিনি।

এ ছাড়া একাডেমিক উৎকর্ষতা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখা শিক্ষার্থী ও গবেষকদেরও সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102