শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পুঠিয়ায় শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গ, ব্যাপক ক্ষতি ফসলের ধর্ষণের শিকার ১২ বছরের শিশুর পেটে পাঁচ মাসের সন্তান যে এলাকার নেতা প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, সে এলাকায় কি উন্নয়ন হবে না’ একসঙ্গে গাঁজা সেবন করছিলেন বাবা-ছেলে, অতঃপর… ইসরায়েলের গণহত্যা নিয়ে কথা বলে সিনেমা থেকে বাদ পড়েন অভিনেত্রী ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের কাজ চলছে : শিক্ষামন্ত্রী বিশ্বে নতুন আতঙ্ক প্রাণঘাতী হান্টাভাইরাস, ছড়ায় যেভাবে অভিনেতা থেকে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন বিজয় শুভেন্দু অধিকারী হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছাত্রাবাসে ফ্যানে ঝুলছিল কলেজছাত্রের মরদেহ

পুঠিয়ায় শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গ, ব্যাপক ক্ষতি ফসলের

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

পুঠিয়া উপজেলায় শিলাবৃষ্টির আঘাতে বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে বোরো ধান, পাট, তিল, কলা, ভুট্টা, পেঁয়াজ, মরিচ, বেগুন, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, শসা, পটল, কচু, করলা, ডাঁটা, আম ও লিচুর ক্ষতি হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকা বোরো ধান ও পাটখেত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। এর মধ্যে শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে তীব্র শিলাবৃষ্টি হয়। অল্প সময়ের এই শিলাবৃষ্টিতেই কৃষকদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

দুপুরে সরেজমিনে শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের বাসুপাড়া বাজার থেকে কার্তিকপাড়া ও আশপাশের আবাদি বিল ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা-পাকা অবস্থায় থাকা বোরো ধান জমিতেই পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক জমিতে ধানের শীষ ভেঙে পড়েছে। এছাড়া শিলার আঘাতে পাটগাছের আগা ভেঙে নুইয়ে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন কৃষক জানান, এ বছর তারা পাটের আবাদ করেছিলেন বড় আশা নিয়ে। কিন্তু শিলাবৃষ্টিতে প্রায় সব পাটগাছের মাথা ভেঙে গেছে। এখন ওই জমিতে নতুন করে কী আবাদ করবেন, তা নিয়েই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

স্থানীয় কৃষক সামিউল ইসলাম লালন বলেন, বুধবার রাত থেকেই আকাশ মেঘলা ছিল। সকালে বৃষ্টির সঙ্গে শিল পড়তে শুরু করে। পরে ক্ষেতে গিয়ে দেখি পাটগাছের বেশির ভাগ মাথা ভেঙে গেছে। এখন আর অন্য কোনো ফসল লাগানোর সুযোগও নেই।

আরেক কৃষক সাধন কুমার বলেন, অল্প জমিতে পাটের আবাদ করতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সব শেষ হয়ে গেছে। এই ফসলের ওপরই সংসার চলত। এখন ধারদেনা কীভাবে শোধ করব বুঝতে পারছি না।

কৃষক আইয়ুব আলী বলেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ধান ও পাটের আবাদ করেছিলাম। আর কিছুদিন পর ধান ঘরে তুলব, এমন সময় এই ক্ষতি হয়ে গেল। ধান বিক্রি করে ঋণ শোধ করার আশা ছিল, এখন সব শেষ।

গৃহবধূ রোজি বেগম জানান, তার গয়না বন্ধক রেখে পাটের আবাদ করেছিলেন তার স্বামী। ভাবছিলাম পাট বিক্রি করে গয়নাগুলো ছাড়াব। এখন কী খেয়ে বাঁচব, সেই চিন্তায় আছি, বলেন তিনি।

এ বিষয়ে স্মৃতি রানী সরকার বলেন, শিলমাড়িয়ার কিছু এলাকায় ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে পাটের ক্ষতির পরিমাণ বেশি। মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন। দ্রুত তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102