রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশীর্বাদ ও হুমকির দোলাচলে ভবিষ্যৎ; এআই কি তবে মানুষের মগজ গিলে খাচ্ছে? তীব্র তাপদাহে ১৫ জেলায় জনজীবন দুর্বিষহ ইরানে নিখোঁজ থাকা ক্রুকে উদ্ধার করল মার্কিন স্পেশাল ফোর্স ইরান থেকে ‘নাটকীয়ভাবে’ বের হলো মার্কিন পাইলট উদ্ধারকারী দল ইসলামে দান পরকালীন সওয়াব ও ইহকালীন সমৃদ্ধির সেতুবন্ধন ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান রমজানের বাদ পড়া রোজা আদায়ের নিয়ম : জানুন ইসলামের বিধান পে-স্কেল ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বৈঠক আজ যুক্তরাষ্ট্রে কাসেম সোলেমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার সারা দেশে হামের টিকা দেওয়ার তারিখ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এ বছর পাবনায় লিচুর ব্যবসা ৮০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

পাবনার লিচু চাষিরা চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের আশায় বুক বেঁধেছেন। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে দীর্ঘদিনের লোকসান কাটিয়ে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন ও মুনাফার প্রত্যাশা করছেন তারা।

জেলার বৃহত্তম লিচু উৎপাদন এলাকা ঈশ্বরদী ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ গাছেই এরই মধ্যে প্রচুর কুঁড়ি এসেছে। এতে চাষিদের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ তৈরি হয়েছে, যদিও সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় নিয়ে কিছুটা উদ্বেগও রয়েছে।

শাহাপুর গ্রামের লিচু চাষি শেখ মেহেদী হাসান জানান, এক দশকের অভিজ্ঞতায় এমন ফুলের সমারোহ তিনি আগে দেখেননি।

তার মতে, বড় গাছে ১০ থেকে ১২ হাজার, মাঝারি গাছে ৭ থেকে ৮ হাজার এবং ছোট গাছে ৪ থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত লিচু ধরতে পারে।

নওদাপাড়া গ্রামের মো. হাসান আলী বলেন, তার বাগানের শতাধিক গাছের মধ্যে গত বছর মাত্র ২০–২৫টিতে মুকুল এসেছিল, অথচ এ বছর ৭০–৮০টি গাছ ফুলে ভরে গেছে।

একই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সিলিমপুর গ্রামের কৃষক ও ব্যবসায়ী মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি জানান, তার ৭০টি গাছের মধ্যে ৫০টির বেশি গাছে ফুল এসেছে এবং এ বছর তিনি সাড়ে তিন থেকে চার লাখ লিচু পাওয়ার আশা করছেন।

বর্তমানে স্থানীয় জাতের লিচুর দাম প্রতি হাজারে প্রায় ১ হাজার ২০০ টাকা এবং বোম্বে ও চায়না-৩ জাতের দাম ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দাম কিছুটা কম হলেও উৎপাদন বেশি হওয়ায় সামগ্রিকভাবে লাভ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাবনার লিচু চাষের পথিকৃৎ সাজাহান আলী বাদশা জানান, সাধারণত গ্রীষ্মের দুই মাসে এ অঞ্চলে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লিচুর ব্যবসা হয়। তবে এ বছর কুঁড়ির ৬০–৭০ শতাংশ ফল হলে মোট ব্যবসা ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর পাবনায় ৪ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হয়েছে, যার মধ্যে ঈশ্বরদীতেই রয়েছে ৩ হাজার হেক্টরের বেশি। গত বছর উৎপাদন ছিল ৩৪ হাজার ৮৯৮ মেট্রিক টন, যা এ বছর বেড়ে ৫০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিএই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণত হেক্টরপ্রতি ১০ মেট্রিক টন ফলন হলেও এ বছর তা বেড়ে অন্তত ১১ মেট্রিক টনে পৌঁছাতে পারে- যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102