পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের পথে মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছে। দিনভর স্বস্তি থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে চাপ বেড়েছে ঘরমুখী মানুষের। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগরে ১২ কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের তিন শতাধিক পোশাক কারখানা দ্বিতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা করেছে। এতে নানা পেশার কর্মজীবী মানুষ পরিবার নিয়ে উত্তরের পথে রওনা হয়েছেন। যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় আর যানবাহনের হাঁকডাকে চন্দ্রা টার্মিনালে জটলার সৃষ্টি হয়েছে।
যাত্রীরা জানান, চন্দ্রা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত পৌঁছাতেই এক থেকে দুই ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। আবার সেখানে গিয়ে যাত্রী তোলার অজুহাতে দীর্ঘসময় গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকছে। পথে কোথাও ভোগান্তি হোক না হোক চন্দ্রাতে ভোগান্তি থাকবেই।
গাজীপুর জেলা পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, দিনে যাত্রীদের চাপ কম ছিল। সন্ধ্যার পর থেকে চাপ বেড়েছে কয়েকগুন বেশি। কাউন্টারগুলো বন্ধ থাকায় যাত্রীরা নিজ নিজ উদ্যোগে বাসে উঠছে। যার কারণে টার্মিনালে জটলা বেঁধেছে। তবে আগে-পরে সড়ক ফাঁকা। চন্দ্রা বাস টার্মিনাল অনেক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এ জন্যেই হালকা যানজট থাকে। তবে আমাদের পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছে। আশাকরি যাত্রীদের ভোগান্তি হবে না।